আপডেট ২১ min আগে ঢাকা, ১৮ই অক্টোবর, ২০১৭ ইং, ৩রা কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২৬শে মুহাররম, ১৪৩৯ হিজরী

Breaking News
{"effect":"fade","fontstyle":"Bold","autoplay":"true","timer":4000}

প্রচ্ছদ জাতীয়

Share Button

জঙ্গি মুক্ত আতিয়া মহল- `ফাঁদ পেতেই তারা সোয়াত ডেকেছিলো`

| ২২:৩৭, মার্চ ২৭, ২০১৭

এঁদের মধ্যে দুজন আগের দিন রোববার কমান্ডোদের গুলিতে নিহত হয় বলে ওইদিন সেনাবাহিনী জানিয়েছিল। বাকি এক নারী ও পুরুষ এর আগে না পরে নিহত হয়েছে, সে সম্পর্কে গতকাল কিছু বলা হয়নি।

এই জঙ্গিরা আতিয়া মহলের নিচতলার একটি ফ্ল্যাট ভাড়া করে আস্তানা গড়ে তুলেছিল। এই জঙ্গিদের বিরুদ্ধে চার দিন ধরে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ, সোয়াট এবং সর্বশেষ সেনাবাহিনী।

গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় সেনা গোয়েন্দা পরিদপ্তরের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফখরুল আহসান সংবাদ সম্মেলন করে বলেন, ‘আতিয়া মহলে আর কোনো জঙ্গি জীবিত নাই। সবাই অভিযানে নিহত হয়েছে।’ তিনি বলেন, সেখান থেকে একজন নারী ও একজন পুরুষের মৃতদেহ বের করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আরও দুটি মৃতদেহ পড়ে রয়েছে, যাদের শরীরে সুইসাইডাল ভেস্ট (আত্মঘাতী হামলার জন্য বিস্ফোরকভর্তি বন্ধনী) বাঁধা। এ কারণে অভিযান শেষ হচ্ছে না। আতিয়া মহলের ওপর সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হলেও সেখানে প্রচুর বিস্ফোরক বিপজ্জনক অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

.

সিলেটের জঙ্গি আস্তানায় অভিযান নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন সামরিক গোয়েন্দা পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফখরুল আহসানসিলেটের জঙ্গি আস্তানায় অভিযান নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন সামরিক গোয়েন্দা পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফখরুল আহসান l প্রথম আলোসিলেটের জঙ্গি আস্তানায় অভিযান নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন সামরিক গোয়েন্দা পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফখরুল আহসান l প্রথম আলোনিহত চার জঙ্গির পরিচয় গতকাল জানা যায়নি। ব্রিগেডিয়ার ফখরুল বলেন, ‘নিহতদের মধ্যে শীর্ষ কোনো জঙ্গি আছে কি না, এখনো নিশ্চিত করে আমি বলতে পারছি না। সেই আইডেন্টিফিকেশন প্রসেস চলবে। পুলিশ-র‍্যাব তাদের নমুনা সংগ্রহ করে নিশ্চিতভাবে বলবে। আমাদের কাছে তথ্য ছিল চারজনের বিষয়ে, সেই চারটি ডেড বডি আমরা পেয়েছি।’

 

সোর্স এবং ফাঁদঃ 

সোর্সের তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় গত বৃহস্পতিবার সিলেটের দক্ষিণ সুরমার শিববাড়িতে আতিয়া মহলকে জঙ্গি আস্তানা হিসেবে শনাক্ত করে পুলিশ। এর পর শুক্রবার ভোর থেকে সেখানে থাকা জঙ্গিদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানানো হয়। জবাবে ভেতর থেকে পুরুষ কণ্ঠে একজন বলেন, ‘দেরি করছ কেন, সময় নেই, তাড়াতাড়ি সোয়াট পাঠাও।’ কেন জঙ্গিরা দ্রুত সোয়াটকে জঙ্গি আস্তানায় যাওয়ার আহ্বান জানাল- এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে মিলেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আতিয়া মহলের নিচতলায় পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট সোয়াটের জন্য বোমা-বারুদের ফাঁদ পেতেছিল জঙ্গিরা। নিচতলাজুড়ে তারা উচ্চশক্তির বিস্ফোরক লাগিয়ে রেখেছিল। নানা জায়গায় ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) পেতে রাখা হয়েছিল। সোয়াট এলেই তাদের নিয়ে নিচতলাসহ উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল জঙ্গিদের। তাই অভিযান-সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বেঁচে গেছেন সোয়াট সদস্যরা। জঙ্গিদের আহ্বানের পর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর পর ডাক পড়ে সেনা কমান্ডোদের। শনিবার থেকে শুরু হয় তাদের অভিযান। জঙ্গিবিরোধী এ অভিযানের মধ্যেই জঙ্গিরা টাইমবোমা হামলা চালায়। এতে দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ ছয়জন নিহত হন। আহত হন আরও অর্ধশতাধিক।

জঙ্গিদের কর্মকাণ্ডের খোঁজ রাখেন এমন একাধিক কর্মকর্তা জানান, সম্প্রতি নব্য জেএমবির শীর্ষ নেতারা তাদের সহযোগীদের নির্দেশ দেয়, নিরাপত্তার জন্য সব আস্তানায় ভারী বোমা ও বিস্ফোরকের মজুদ গড়ে তুলতে হবে। সন্ধান পেয়ে পুলিশ কোনো আস্তানায় অভিযানে গেলে হামলা করে তাদের ভাষায় ‘কবর’ বানিয়ে ফেলার নির্দেশনা দেওয়া হয়। তাই জঙ্গিরা এখন তাদের অনেক আস্তানায় ভারী বিস্ফোরক ও বোমা রাখছে। সম্প্রতি সীতাকুণ্ডে জঙ্গি আস্তানায় তা দেখা গেছে।

 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সেনা কমান্ডোদের প্রথম লক্ষ্য ছিল ভবনে আটকেপড়াদের কৌশলে উদ্ধার করা। কোনো ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই শনিবার ৭৮ জনকে তারা উদ্ধার করেন। এরপর তারা ভার্টিক্যাল পদ্ধতিসহ নানাভাবে অপারেশন চালান। অভিযানের মুখে জঙ্গিদের পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলার ধরন সম্পর্কে অনেকে খোলাখুলি বলেছেন, ভেতরে থাকা জঙ্গিরা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। তারা সুইসাইড ভেস্ট ব্যবহার করে। গতকাল সোমবার সকালেও ভেতর থেকে অন্তত দুই রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। এর আগে জঙ্গিরা নিচতলায় ফ্ল্যাটে প্রবেশ কক্ষের সামনে একটি ফ্ল্যাটে বসিয়ে রাখে।

 

নিহতদের পরিচয় মেলেনি: এদিকে, সেনা কমান্ডো অভিযানে নিহত জঙ্গিদের পরিচয় এখনও মেলেনি। তাদের বয়স সম্পর্কেও কোনো ধারণা পাননি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। তবে আতিয়া মহলে যারা ছিল, তারা সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য বলেই সংশ্লিষ্টদের ধারণা। তারা বলছেন, এ আস্তানায় নব্য জেএমবির শীর্ষ পর্যায়ের মুসা ও মিরপুর থেকে পালানো ইংরেজি মাধ্যমের ছাত্র রাফিদ হাসানও থাকতে পারে। এ ছাড়া মনজেয়ারা পারভীন ওরফে মর্জিনা নামের এক নারী জঙ্গির কথাও শোনা যাচ্ছে। মর্জিনা সীতাকুণ্ডে অভিযান অ্যাসল্ট-১৬-তে নিহত জোবায়দা ইয়াসমিনের বোন। তাদের গ্রামের বাড়ি নাইক্ষ্যংছড়িতে। তবে মর্জিনার ভাই তারেক গতকাল সমকালকে জানান, মর্জিনা সিলেটের কোনো জঙ্গি আস্তানায় মারা গেছে এমন কোনো তথ্য তাদের জানা নেই। তবে বলা হচ্ছে দুজনের পরিচয় নাকি মিলেছে। ডিএনএ পরীক্ষার পর জানা যাবে বিস্তারিত।

 

সংশ্লিষ্টরা আরও বলেন, সিলেটে জঙ্গি আস্তানার সন্ধান পাওয়ার পর অভিযানের সময় জঙ্গিদের প্রথম পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ায় তাদেরই কোনো ভিন্ন গ্রুপ প্রাণঘাতী টাইমবোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (দক্ষিণ) বাসুদেব বণিক  বলেন, সেনা কমান্ডোদের অভিযানে নিহত চারজনের পরিচয় জানা যায়নি।

 

 

সবশেষ গুলি ও বিস্ফোরণের চার ঘণ্টা পর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় আতিয়া মহলের কাছে পাঠানপাড়া মসজিদ প্রাঙ্গণে সংবাদ সম্মেলন করে সেনাবাহিনী। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফখরুল আহসান বলেন, আতিয়া মহলের একটি ঘরে দুটি লাশ পড়ে রয়েছে। লাশের শরীরে বিস্ফোরকভর্তি সুইসাইডাল ভেস্ট বাঁধা। এর চারদিকে চার-পাঁচটি বিস্ফোরক (আইইডি) ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে। এগুলো সরানো ঝুঁকিপূর্ণ, তাই অভিযান শেষ না করে আরও কিছু সময় নেওয়া হচ্ছে। অভিযান শেষ করে ক্রাইম সিন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তিনি বলেন, ‘পুরো বিল্ডিংয়ে যে পরিমাণ এক্সপ্লোসিভ আছে, এগুলো যদি ফাটে, এক্সপ্লোশন হয়, বিল্ডিংয়ের অংশবিশেষ ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। পুরো বিল্ডিংটা ঝুঁকিপূর্ণ। তাই সতর্কতার সঙ্গে এগোতে হচ্ছে।’

এই সেনা কর্মকর্তা বলেন, আতিয়া মহলে ঢোকার মুখে একটা বড় বালতির মধ্যে জঙ্গিরা বিস্ফোরক রেখেছিল। সেগুলোর যখন তারা বিস্ফোরণ ঘটায়, তখন কলাপসিবল গেট উড়ে এসে পাশের ভবনে পড়েছে। বিস্ফোরণের ধাক্কায় কয়েকজন সেনাসদস্য ছিটকে পড়েন। তবে শেষ পর্যন্ত সেনাবাহিনীর কেউ হতাহত হননি। তিনি বলেন, ‘যে চারজন (জঙ্গি) এখানে ছিল, তারা ওয়েল ট্রেইনড। তাদের খুঁজে বের করে যে নিষ্ক্রিয় করা হলো বা হত্যা করা হলো, এটা আমাদের জন্য, বিশেষ করে সেনাবাহিনীর জন্য বড় সফলতা। আমাদের অপারেশন এখনো চলমান আছে।’

ভবন থেকে ধোঁয়া বের হওয়ার কারণ সম্পর্কে সেনা কর্মকর্তা বলেন, ‘যে পরিমাণ ফায়ারিং, গ্রেনেড লঞ্চ করা হচ্ছে, তাতে ভবনে থাকা মানুষের লেপ-তোশক, বালিশে আগুন লাগতেই পারে। আমরা সঙ্গে সঙ্গে নিভিয়েছি। আগুন লাগলে আরও বিপজ্জনক হতে পারত।’

ওই সংবাদ সম্মেলনের পর সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার এস এম রোকনউদ্দীন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে তিন মাসে ওই বাড়িতে এত বিস্ফোরক জড়ো করা হলো, এতে পুলিশের নজরদারির কোনো গাফিলতি রয়েছে কি না, জানতে চাইলে রোকনউদ্দীন বলেন, ‘এখানে পুলিশের কোনো গাফিলতি নেই। এই শহর তো আর পুরোটা সিসি ক্যামেরার আওতাধীন নয়। তা ছাড়া তারা বিভিন্ন সময়ে অল্প অল্প করেই এসব বিস্ফোরক জড়ো করেছে বলে মনে হয়।’

বোমার কারিগরদের খোঁজে গোয়েন্দারা-

 দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, দীর্ঘদিন ধরে জেএমবির বোমা তৈরির মূল কারিগর ছিল বোমা মিজান। তবে এখন শুধু বোমা মিজান একা নয়, তার সঙ্গে সাগর, আবদুস সামাদ ওরফে মামু, হাতকাটা সোহেল মাহফুজও যুক্ত রয়েছে। তাদের আরও কয়েকজন শিষ্য আছে, যারা বোমা তৈরিতে পারদর্শী। প্রতিবেশী একটি দেশের খনিতে ব্যবহৃত বিস্ফোরক চোরাপথে দেশে এনে বোমা তৈরিতে ব্যবহার করছে জঙ্গিরা। এর বাইরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভুয়া ল্যাবরেটরিয়ান পরিচয়ে বিভিন্ন মার্কেট থেকে কেমিক্যাল কিনছে জঙ্গিরা। সম্প্রতি সীতাকুণ্ডে অভিযানের পর ওই আস্তানা থেকে পাঁচ কেজি গানপাউডার পাওয়া যায়। কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, এক দশক আগেও যে প্রক্রিয়ায় জঙ্গিরা বোমা তৈরি করেছিল, এখনও তারা একই পথ অনুসরণ করছে। তবে তারা আগের চেয়ে আকারে বড় বোমা তৈরি করছে।

মামলা: শিববাড়িতে টাইমবোমা হামলার ঘটনায় অজ্ঞাতদের আসামি করে রোববার রাতে মামলা হয়েছে। মোগলাবাজার থানার এসআই শিপলু চৌধুরী বাদী হয়ে বিস্ফোরক ও দণ্ডবিধির ধারায় মামলা করেন। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছেন ওই থানার ওসি খায়রুল ফজল। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২৫ মার্চ সন্ধ্যা ৭টায় দক্ষিণ সুরমার শিববাড়ির গোটাটিকর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসাসংলগ্ন এলাকায় অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা একটি বোমা বা গ্রেনেডের বিস্ফোরণ ঘটায়। এরপর বোমা হামলায় আহত ২৫ জনের নাম-পরিচয় দেওয়া হয়। এ সময় একটি মোটরসাইকেল (সিলেট হ-০৪-১১৪৬) বোমার আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়। আরও বলা হয়, সিলেটে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ টিমের প্রধান মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে পাঁচ-সাতজন একটি পরিত্যক্ত ব্যাগে বোমা বা গ্রেনেড দেখে এগিয়ে গেলে পরবর্তী বিস্ফোরণ ঘটে। এতে র‌্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান লে. কর্নেল আবুল কালাম আজাদ, র‌্যাবে কর্মরত মেজর আজাদ, সিলেটের আদালতে কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক চৌধুরী মো. আবু কয়ছর, জালালাবাদ থানার ওসি (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম, দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি শাহ হারুন রশীদ, এসআই মো. শাখাওয়াত, এএসআই জলি লাল দে, কনস্টেবল মো. আরিফ, কনস্টেবল মিজান, এএসআই মো. আলী হোসেন, এএসআই আবদুর রহমান ও ল্যান্স করপোরাল আবু তাহের আহত হন। তাদের মধ্যে মনিরুল ইসলাম ও আবু কয়ছর মারা যান। এ ছাড়া মারা যান আরও চারজন। ঘটনাস্থল থেকে কাচ, স্পিল্গন্টার, লোহা, ইস্পাত, স্কচটেপ, কাপড়ের টুকরা, কাপড়ের ব্যাগের অংশ আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়। এ ছাড়া দ্বিতীয় দফার বিস্ফোরণে সিলেট-৪৩৩৪ নম্বরের আরেকটি ক্ষতিগ্রস্ত মোটরসাইকেল পাওয়া যায়।

গতকাল চতুর্থ দিনের অভিযান চলাকালে আতিয়া মহলের আশপাশের এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। আতিয়া মহল ঘিরে তিন বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে সাধারণের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত রাস্তাটিতে চলাচল নিয়ন্ত্রিত থাকবে।

আতিয়া মহল নামের পাঁচতলা এই বাড়িটি গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটায় ঘিরে ফেলে পুলিশ। শুক্রবার ঢাকা থেকে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট সোয়াট গিয়ে অভিযানে অংশ নেয়। এরপর শনিবার সকাল থেকে সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডো দল ‘অপারেশন টোয়াইলাইট’ নামে অভিযান শুরু করে। এই অভিযানের মধ্যেই শনিবার সন্ধ্যায় দুই দফা বিস্ফোরণে দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ ৬ জন নিহত এবং আরও ৪৪ জন আহত হন। স্মরণকালের মধ্যে এটা সবচেয়ে দীর্ঘ জঙ্গিবিরোধী অভিযান।

Comments are closed.







পাঠক

Flag Counter



Developed By : ICT SYLHET

Developer : Ashraful Islam

Developer Email : programmerashraful@gmail.com

Developer Phone : +8801737963893

Developer Skype : ashraful.islam625

error: Content is protected !!