আপডেট ১৮ min আগে ঢাকা, ১৮ই অক্টোবর, ২০১৭ ইং, ৩রা কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২৬শে মুহাররম, ১৪৩৯ হিজরী

Breaking News
{"effect":"fade","fontstyle":"Bold","autoplay":"true","timer":4000}

প্রচ্ছদ আইন আদালত

Share Button

অপারেশন সেঞ্চুয়ারিঃ বাংলাদেশি, পাকিস্তানি সহ শিশুদের যৌন কাজে অভিযুক্ত ১৮ জন

| ২৩:৩৪, আগস্ট ৯, ২০১৭

লন্ডন টাইমস নিউজ । নিউ ক্যাসল ক্রাউন কোর্ট । সেলিম । ০৯ আগস্টঃ ব্রিটেনের অপরাধ জগতের ইতিহাসে ইংল্যান্ডের নর্থ ইষ্টের প্রাচীন ও প্রসিদ্ধ এক শহর নিউক্যাসল শিশুদের ও উঠতি কিশোরী যুবতীদের যৌন কাজে ব্যবহার করার অপরাধের রেকর্ড সংখ্যক বাংলাদেশী, পাকিস্তানী,  ভারতীয় এশিয়ানরা এমন ঘৃণ্য অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়াইয় সর্বত্র আলোচিত সমালোচিত হচ্ছে  । বিশাল এই  কিশোরী- যুবতীদের সাথে যৌন পার্টি করে ড্রাগস, রেইপ, সঙ্গমের অপরাধে ১৮ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। মোট ২৭৮ জন ভিক্টিম হয়েছেন। অপারেশন সেকচুয়ারি নামের এই অভিযানে ৪৬১ জনকে পুলিশ গেপ্তার করেছিলো। এই গ্যাংদের বিরুদ্ধে ২০ জন নারী আদালতে স্বাক্ষ্যপ্রমাণ দিয়েছেন। এদেরকে ধরার জন্য নর্থাম্বরিয়া পুলিশ  একজন ধর্ষক ও বহু মামলার আসামীকে ১০ হাজার পাউন্ডের বিনিময়ে নিয়োগ দিয়ে পুরো চক্রকে গ্রেপ্তার এবং নিউক্যাসলের নারী শিশু কিশোরীদের রেপিষ্টদের হাত থেকে রক্ষা করেছে বলা হলেও শুরু হয়েছে এভাবে ধর্ষককে নিয়োগ ও টাকা দেয়াটাও কতোটুকু যুক্তিসঙ্গত ও নৈতিকতা সম্মত ছিল ?

A general view of Newcastle Crown court

নিউক্যাসল  ক্রাউন কোর্টে  জানানো হয়, নিউজ্যাসলে অপ্রাপ্ত  বয়স্ক  কিশোরীদেরকে জোরপূর্বক মদ্যপ ও মাদকদ্রব্যের ব্যবহার করে সেক্স করার অপরাধে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের ১৮জনকে দোসী সাব্যস্ত করেছে আদালত। এসকল ভিকটিমদের অনেকের বয়স ১৪ বলে জানিয়েছে কোর্ট। এসকল কিশোরীদের পতিতাবৃত্তিতে উৎসাহিত করার অপরাধে ১৭জন পুরুষ ও একজন নারীকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

 

নেপথ্যের কাহিনী-

 

২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত মামলা চলাকালিন সময়ে ৪টি ট্র্রায়ালে ২০জন যুবতী স্বাক্ষ্য প্রদান করে। এই ট্রায়াগুলির মধ্যে ২৬জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল, যারা বেশিরভাগই এশিয়ান। তাদের উপর ১০০টিরও বেশি অভিযোগ আনা হয়। এ মামলাগুলিতে ২০জন ভুক্তভোগী ছিল।অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে কারাদন্ড দেয়া হয়েছে, বাকীদের আগামী মাসে শাস্তি প্রদান করা হবে।

 

অপারেশন সেঞ্চুয়ারি-

 

নর্থাম্বিয়ার পুলিশ ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে কিশোরী ও যুবতীদের উপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগের ভিত্তিতে ‘অপারেশন সেনচুয়ারি’ নামে একটি অভিযান শুরু করে। অভিযুক্তদের বেশিরভাগই ছিল বাংলাদেশী, পাকিস্তানী, ভারতীয়, ইরাকি, ইরানী, তুকি সম্প্রদায়ের। তারা মূলত ব্রিটেনে জন্মগ্রহনকারী নিউক্যাসলের ওয়েস্ট এন্ডের বাসিন্দা।

 

অভিযানে পুলিশ ৪৬১কে গ্রেফতার, ৭০৩জন সম্ভাব্য অভিযোগকারীদের সাথে কথা বলে ২৭৮জন ভিকটিমকে চিহিৃত করে।

অভিযান সফলে ধর্ষক নিয়োগ-

 

অভিযানে যাবতীয় তথ্য এবং গ্যাংদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যাবলী সংগ্রহের জন্য পুলিশের সোর্স হিসেবে রেপিষ্ট এবং ড্রাগসের দাগী অপরাধী এক্সওয়াইকে নিয়োগ দেয় পুলিশ । সোর্সকে সেজন্য পুলিশ ১০ হাজার পাউন্ড পরিশোধ করে।

 

আদালতে ধর্ষকের সাক্ষ্যপ্রমাণ নিয়ে প্রশ্ন-

 

এই সোর্স এক্সওয়াই  ধর্ষকের দেয়া এভিডেন্স যথার্থ, ক্রেডিবেল এবং রিলায়বল নয় বলে আদালত মন্তব্য করেছেন।

 

পুলিশের এমন সোর্স নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন-

 

অভিযান সফল করতে পুলিশের এভাবে টাকার বিনিময়ে দাগী অপরাধীকে সোর্স হিসেবে নিয়োগ দান নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে। আদালতও এর এথিকস নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন।

 

একজন উচ্চ পদস্থ পুলিশ অফিসারও মন্তব্য করেছেন, অপরাধী ধরতে গিয়ে এভাবে  অনৈতিকভাবে দাগী অপরাধী নিয়োগ এবং পয়সার বিনিময়ে তথ্য সংগ্রহ- অনেক পুলিশ অফিসারকে তার কাজ না করেই তাহলে ঘরে বসে পয়সার বিনিময়ে তথ্য সংগ্রহ করে আদালতে জমা  দিয়েই দায়িত্ব সারাবে।

 

এভাবে তথ্য সংগ্রহ করাটাও নৈতিকতা সম্পন্ন কিনা সেটাও বড় প্রশ্ন বলে সমালোচনা করা হচ্ছে।

 

তারপরেও-

 

নারী শিশু যুবতীদের বিরুদ্ধে বিশাল নেটওয়ার্ক ধবংস করে দিয়ে জনগনকে রক্ষা করার জন্য পুলিশের ভুমিকারও প্রশংসার দাবি রাখে।

 

 

Comments are closed.







পাঠক

Flag Counter



Developed By : ICT SYLHET

Developer : Ashraful Islam

Developer Email : programmerashraful@gmail.com

Developer Phone : +8801737963893

Developer Skype : ashraful.islam625

error: Content is protected !!