আপডেট ৩৯ min আগে ঢাকা, ২৩শে অক্টোবর, ২০১৭ ইং, ৮ই কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ১লা সফর, ১৪৩৯ হিজরী

Breaking News
{"effect":"fade","fontstyle":"Bold","autoplay":"true","timer":4000}

প্রচ্ছদ এক্সক্লুসিভ

Share Button

গুগলে ১২ লক্ষ টাকার চাকরীর অফারের সেই কিশোর এখন টিটকারি টিপ্পনীর শিকার

| ২১:৫০, আগস্ট ১১, ২০১৭

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক । ১১ আগস্টঃচোদ্দ লাখের চাকরি। ট্রেনিংয়ের সময়তেই মিলবে চার লাখ। গুগল থেকে এমন অফার নাকি পেয়েছিল হরিয়ানার কুরুক্ষেত্রর হরষিত শর্মা। মাথা ঘুরিয়ে দেওয়ার এই চাকরির কথা জানিয়েছিল তার বাবা। সেই দাবি খারিজ করে গুগল জানিয়েছিল এমন কোনও অফরা তারা হরষিতকে দেয়নি। এরপর থেকে পরিচিতদের থেকে টিটকিরি, গঞ্জনার মুখে পড়তে হয়ছে এই কিশোরকে। অবসাদে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে হাসপাতালে  ষোলো বছরের হরষিত। চাপ না নিতে পেরে তার বাবাও শয্যাশায়ী।

প্রাপ্তি এক জিনিস। আর প্রাপ্তির খবরে উতলা হয়ে দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হওয়া। তারপর জানতে পারা যা নিয়ে এত উত্তেজনা ছিল সবটাই মিথ্যে। প্রত্যাশার পাহাড় থেকে মাটিতে আছড়ে পড়ার পর অনেকেই ভারসাম্য রাখতে পারেন না। এই বিষয়টি ঘটেছিল হরষিত শর্মার ক্ষেত্রে। জুলাইয়ের শেষের দিকে তার বাবা রাজিন্দর শর্মা রীতিমতো বড়াই করে বলেছিলেন তাঁর ছেলে গুগলে চাকরি পেয়েছে। রাজিন্দরের কথায় প্রভাবিত হয়ে হরষিতের স্কুল রীতিমতো প্রেস নোট দিয়ে তাদের ছাত্রের নজিরের কথা জানিয়েছিল। স্কুল জানিয়েছিল হরষিতকে বছরে ১২ লক্ষ টাকা বেতন দেবে গুগল। প্রশিক্ষণের সময় সে পাবে চার লক্ষ টাকা। ১৬ বছরের এই পড়ুয়ার কীর্তির খবর পেয়ে ধন্য ধন্য রব ওঠে। হরষিতকে সম্বর্ধনা, শুভেচ্ছা জানাতে লাইন পড়ে যায়। তবে সুখের স্বর্গে থাকার অভিজ্ঞতা অবশ্য বেশিদিন টেকেনি হরষিতের। ঘটনার তিনি দিন পর গুগল রীতিমতো বিবৃতি দিয়ে জানায় তারা হরষিতকে এমন কোনও চাকরির প্রস্তাব দেয়নি। এরপরই ঘটনা অন্যদিকে মোড় নেয়। হরষিতের অফার লেটারের কোথাও বেতনের কথা ছিল না। এমনকী চিঠির নানা জায়গায় ভুল ধরা পড়ে। সাজানো কৃতিত্ব ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর বিপাকে পড়ে একাদশ শ্রেণির ওই ছাত্র। পরিচিতদের থেকে বাঁকা কথা শুনতে শুনতে সে হাঁফিয়ে ওঠে। বর্তমানে তার ঠিকানা মানসিক হাসপাতাল। সে এখন কাউকে চিনত পারে না। মুখে খাবারও তুলছে না এই কিশোর।

হরষিতের মা-বাবা শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত। ছেলের এই নজিরের খবর প্রথম সামনে এনেছিলেন রাজিন্দর শর্মা। এখন তাঁর জ্ঞানপাপী অবস্থা। সহকর্মী এবং পড়ুয়াদের সামনে মুখ দেখাতে পারছেন না। তিনিও অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে। রাজিন্দরের অপারেশন হয়েছে। মুখে সেলাই করতে হয়েছে। তবে এই গাফিলতির জন্য স্কুলের দিকে আঙুল তোলেনি হরষিতের পরিবার। দুঃসময় পেরোনো তাদের এখন সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ।

 

Comments are closed.







পাঠক

Flag Counter



Developed By : ICT SYLHET

Developer : Ashraful Islam

Developer Email : programmerashraful@gmail.com

Developer Phone : +8801737963893

Developer Skype : ashraful.islam625

error: Content is protected !!