আপডেট ৩৭ min আগে ঢাকা, ২৩শে অক্টোবর, ২০১৭ ইং, ৮ই কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ১লা সফর, ১৪৩৯ হিজরী

Breaking News
{"effect":"fade","fontstyle":"Bold","autoplay":"true","timer":4000}

প্রচ্ছদ জাতীয়

Share Button

খুলনা-কলকাতা রুটে ট্রেন চালু নিয়ে দুপারেই ধোঁয়াশা

| ২৩:৫১, আগস্ট ১২, ২০১৭

প্রসেনজিৎ কোলে  কলকাতা: ঐতিহাসিক পথে ফের যাত্রীবাহী ট্রেনের চলাচল নিয়ে গত কয়েকমাস ধরেই দুই বাংলার আবেগ ক্রমশ জমাট বাঁধছে। গত এপ্রিল মাসের প্রথম দিকে দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুলনা-কলকাতা ট্রেনের ‘ট্রায়াল রানের’ সূচনা করেছিলেন। অপেক্ষার প্রহর গোনা শুরু সেই থেকেই। সেইদিনই ঘোষণা করা হয়েছিল, নয়া মৈত্রী এক্সপ্রেসটি জুলাই মাস থেকে নিয়মিত চলাচল করবে। কিন্তু, জুলাই পেরিয়ে আগস্টের প্রায় অর্ধেক হতে চললেও বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্ত টপকে নতুন যাত্রীবাহী ট্রেনের ঝমাঝম শব্দ এখনও অশ্রুতই থেকে গিয়েছে।

 

 

যদিও এর বিপরীত চিত্র দেখা যাচ্ছে দু’দেশের সড়ক পরিবহণে। কলকাতা-ঢাকা ভায়া যশোর, খুলনা বাস রুটের ‘ট্রায়াল রান’ হয়েছিল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এদেশ সফরের সময়। পরীক্ষামূলক চলাচলের পর্ব পার করে এই রুটে বর্তমানে দাপিয়ে ছুটছে আন্তর্জাতিক বাস। ভিড়ও হচ্ছে ব্যাপক। সেই জায়গা থেকেই উঠছে নয়া রুটে দ্রুত ট্রেন পরিষেবা চালুর দাবি। যাত্রীদের অনেকেরই বক্তব্য, দুই বাংলার মধ্যে টান আজও অন্তহীন। ছেড়ে আসা পিতৃভূমি ছুঁয়ে দেখার আবেগ তো রয়েইছে। তার সঙ্গে রয়েছে বাণিজ্য, চিকিৎসা বা নিছক ভ্রমণের জন্য যাতায়াত। ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যাতায়াতকে আরও সুগম করতেই নয়া রুটে বাস-ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

 

 

 

খুলনা-কলকাতা ট্রেন চলাচল নিয়ে আবেগ যে কতটা বেশি, তা টের পাওয়া গিয়েছিল পরীক্ষামূলক চলাচলের দিনই। ট্রেনটি যখন পেট্রাপোল সীমান্তে ঢোকে, সেই সময় এলাকার বাসিন্দারা ঘর ছেড়ে ছুটে এসেছিলেন রেললাইনের ধারে। পেট্রাপোল স্টেশনে ছিল থিকথিক ভিড়। বাড়ির মহিলারা শাঁখ হাতে ফুল নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন রেলগাড়ির জন্য। ট্রেন ঢুকতেই তাঁদের আবেগের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল। অনবরত হাত নেড়ে অভিবাদন জানিয়েছিলেন তাঁরা। ট্রেন থেকেও হাসি মুখে হাত নেড়ে মৈত্রীর বার্তা দিয়েছিলেন ওপার বাংলার আধিকারিকরা। কলকাতা স্টেশন পর্যন্ত আসার পথে প্রায় প্রতিটি স্টেশনেই এমন চিত্র দেখা গিয়েছিল। রেল সূত্রের খবর, ট্রেনটি চালু হলে ১৭৬ কিলোমিটারের এই রুট অতিক্রম করতে মোট চার ঘণ্টা সময় লাগবে। তার মধ্যে দু’ঘণ্টা এদেশেই। শুল্ক এবং অভিবাসন সংক্রান্ত কাজে কিছুটা সময় ব্যয় হবে।

 

 

কেন এখনও এই ট্রেন চলতে শুরু করল না? কী বলছেন দু’দেশের রেলকর্তারা? এনিয়ে জানতে চাওয়া হলে পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক আর এন মহাপাত্র বলেন, অভিবাসন সংক্রান্ত কিছু আলোচনা চলছে। বাংলাদেশও এনিয়ে এখনও চূড়ান্ত অনুমতি দেয়নি। তাই দেরি হচ্ছে। ফোনে যোগাযোগ করা হলে বাংলাদেশ রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত মহা নির্দেশক (অপারেশনস) হাবিবুর রহমান বলেন, ট্রেনটির ট্রায়াল রান হয়ে গিয়েছে। প্রযুক্তিগত দিক থেকে কোনও সমস্যা নেই। এটি দু’দেশের সরকারের ব্যাপার। আলাপ-আলোচনা চলছে। নিশ্চয়ই দিনক্ষণ ঠিক করে ট্রেন চালু হবে।

Comments are closed.







পাঠক

Flag Counter



Developed By : ICT SYLHET

Developer : Ashraful Islam

Developer Email : programmerashraful@gmail.com

Developer Phone : +8801737963893

Developer Skype : ashraful.islam625

error: Content is protected !!