আপডেট ৫ ঘন্টা আগে ঢাকা, ১৬ই ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং, ২রা পৌষ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২৭শে রবিউল-আউয়াল, ১৪৩৯ হিজরী

Breaking News
{"effect":"fade","fontstyle":"Bold","autoplay":"true","timer":4000}

প্রচ্ছদ ইউরোপ

Share Button

ইউরোপে ব্রিটিশদের পাসপোর্টের আবেদনের হিড়িক

| ১০:৪৫, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৭

লন্ডন টাইমস নিউজ । শনিবার । ৩০ সেপ্টেম্বর । এক্সপ্রেস রিপোর্ট । ছবি এক্সপ্রেস

ব্রিটিশ নাগরিকদের  মধ্যে নতুন এক প্রবণতা শুরু হয়েছে। ব্রেক্সিট গণভোটের পর তা বৃদ্ধি পেয়েছে অনেক বেশি। ব্রিটেন  ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে আসার বিষয়ে গণভোটে সিদ্ধান্ত নেয়ার পর থেকেই ইউরোপের অন্য দেশগুলোতে নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য অধিক সংখ্যক বৃটিশ আবেদন করেছেন। তাদের সংখ্যা বৃদ্ধিই পাচ্ছে। অর্থাৎ তারা ব্রেক্সিট পরবর্তী অনিশ্চয়তায় ব্রিটেনের পাশাপাশি  ইউরোপেও থাকতে চান।। তারা মুক্ত ইউরোপের নাগরিক হতে চান। এ জন্য আগের তুলনায় এমন আবেদন এখন কোনো কোনো ক্ষেত্রে তিনগুন, দ্বিগুন হয়েছে। যেসব দেশে এমন নাগরিকত্বের জন্য আবেদন বেশি পড়েছে তার মধ্যে রয়েছে আয়ারল্যান্ড, স্পেন, সুইডেন, ডেনমার্ক ও পোল্যান্ড। শুধু গত এক বছরে ইউরোপের অন্য দেশে নাগরিকত্বের আবেদনকারী ব্রিটিশদের  সংখ্য বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় লাখে পৌঁছেছে। এক্ষেত্রে আয়ারল্যান্ডে আবেদনের সংখ্যা তিনগুন। আর স্পেন, সুইডেন, ডেনমার্ক ও পোল্যান্ডে আবেদন দ্বিগুন হয়েছে। অন্যদিকে ফ্রান্সে নাগরিকত্ব পাওয়ার আবেদন বৃদ্ধি পেয়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

 

 

এখনও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বসবাস করছেন ১০ লাখের মতো ব্রিটিশ। তাদেরকে ব্রেক্সিট পরবর্তী সময়ে সেখানে বৈধভাবে বসবাসের অনুমতি দেয়া হবে কিনা তা  নিয়ে চলছে বিস্তর দেন দরবার।গতকাল চতুর্থ রাউন্ডের সমাপনি আলোচনায় ডেভিড ডেভিস যে সূত্রপাতের ইঙ্গিত দিয়েছেন, তাতে নাটকীয় ইতিবাচক মোড় ঘুরবে।  এর মধ্যেই এভাবে ইউরোপীয় দেশগুলোতে ব্রিটিশদের নাগরিকত্বের আবেদন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

 

 

আয়ারল্যান্ডে এ বছর জুন পর্যন্ত পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেছেন ৬৪ হাজার ৪০০ বৃটিশ নাগরিক। আগের বছর এ সংখ্যা ছিল ২৫ হাজার ২০৭। স্পেনে একই সময়ে আগের বছর এ সংখ্যা ছিল ২৩০০। এ বছর তা দাঁড়ায় ৪৫৫৮। সুইডেনে আগের বছর ছিল ৯৬৯। এ বছর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০০২। পোল্যান্ডে আগের বছর ছিল ১৫২। এ বছর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩২। আর ডেনমার্কে আগের বছর ছিল ২৮৯। এ বছর এ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬০৪। ২০১৫ সালে ফ্রান্সে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেছিলেন ৩৮৫ জন। কিন্তু এক্ষেত্রে ব্যাপক বৃদ্ধির মাধ্যমে ২০১৬ সালে এ সংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে ১৩৬৩-এ। এ যাবত অর্থাৎ ব্রাসেলসের সঙ্গে ব্রিটেনের  সম্পর্ক কর্তন হয়ে যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত ব্রিটিশ  নাগরিকরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের যেকোনো দেশে অবাধে যাতায়াত করতে পারেন এবং কাজ করতে পারেন।

 

কিন্তু ইউকে  একবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে গেলে তাদেরকে এই সুবিধা দেয়া হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন ব্রাসেলসের মন্ত্রীরা। তবে যদি ইউরোপীয় ইউনিয়নের নাগরিক, যারা ব্রিটেনে  বসবাস করছেন, তাদেরকে যদি এমন অধিকার দেয়া হয় তাহলে তারা ব্রিটিশদের  ক্ষেত্রে বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন।

 

 

গত সপ্তাহে ফ্লোরেন্সে বক্তব্য রাখেন  প্রধানমন্ত্রী  টেরিজা মে। এ সময় সেখানে বিপুল সংখ্যক নাগরিক  প্রতিবাদ বিক্ষোভ করেন। তারা দাবি তোলেন ইউরোপে তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে। এ সময় তাদের হাতে বিভিন্ন ব্যানার দেখা যায়। তার কোনোটিতে তেরিজা মে’র ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। তার ওপর ইংরেজিতে লেখা হয়েছে ‘ডিনাইড এ ভয়েস’। আরেকটি ব্যানারে তাকে দেখানো হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাসপোর্ট আগুনে ধরে রেখেছেন।

 

 

এখানে উল্লেখ্য, ব্রেক্সিটের অধীনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নাগরিকদেরকে ব্রিটেনে থাকার অধিকার দিতে রাজি হয়েছেন  মে। গতকালের চতুর্থ রাউন্ডের আলচনায় বেশ নাটকীয় ইউ টার্ণ হয়ে নতুন দিকে আলচনাকে নিয়ে গেছে। মিশেল বার্ণিয়ারও গতকালের আলোচনায় বেশ আশাবাদী। তবে অক্টোবরে ইইউ নেতারা মিলিত হবেন আলচনার ফাইন্ডিংস নিয়ে পর্যালোচনা করতে। তখন দেখা যাবে বা বলা যাবে আলোচনার ফল কতোটুকু বা কী পর্যায়ে গ্রহণ যোগ্য হয়েছে কিনা ।

Comments are closed.







পাঠক

Flag Counter



Developed By : ICT SYLHET

Developer : Ashraful Islam

Developer Email : programmerashraful@gmail.com

Developer Phone : +8801737963893

Developer Skype : ashraful.islam625

error: Content is protected !!