আপডেট ৫ ঘন্টা আগে ঢাকা, ১৬ই ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং, ২রা পৌষ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২৭শে রবিউল-আউয়াল, ১৪৩৯ হিজরী

Breaking News
{"effect":"fade","fontstyle":"Bold","autoplay":"true","timer":4000}

প্রচ্ছদ আইন আদালত

Share Button

কিন্তু নাটকের কেন্দ্রীয় মঞ্চে এখনো তিনি, অথচ অস্ট্রেলিয়ায় ভিসার আবেদন , ৬৫ মিঃ মন্দিরের পথে..

| ২২:১০, অক্টোবর ৫, ২০১৭

লন্ডন টাইমস নিউজ । আলোচিত সংবাদ । ৬ অক্টোবর । ২০১৭ । আপডেট । লন্ডন । ২৩ঃ০১

 

জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই।আপাতঃদৃষ্ঠিতে সরকারের সমস্ত ক্ষমতা একজনের উপর প্রয়োগ করে নিয়ন্ত্রণ নিলেও নাটাইয়ের ঘূড়ি এখনো তার হাতে। গুমোট এবং অস্বস্তিকর এক পরিবেশ। দেশের জন্যে, রাস্ট্রের জন্য যা খুবই খারাপ। তার মুখে কলুপ, সরকার অনবরত এবং একতরফা বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছে। ৬৫ মিনিটের বন্দী জীবন থেকে যখন বাইরে ছিলেন, তখন বডি ল্যাঙ্গুয়েজ মনে হয়নি তিনি অসুস্থ্য। বরং তার দৃষ্টি কি যেন খুজছে- নীরব নিথর। হতবাক বা হতবম্ভ নন, এ যেন জানাই ছিলো ঘটবে- এমন এক আভাস চোখে মুখে। কিছু একটা যে ঘটে চলেছে এবং ঘটতে যাচ্ছে- কী যেন প্রকাশ করতে চায় এমন চাহনি, তীক্ষ্ণ অথচ শান্ত চেহারা। এদিকে এরই মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার ভিসার জন্য আবেদন করা হয়েছে। মিশন সূত্রে জানা গেছে।

 

সোমবার ছুটিতে যাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই আলোচনা শুরু। অসুস্থতা জনিত কারণে এক  মাসের ছুটিতে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। মঙ্গলবার থেকে তার এই ছুটি শুরু হয়েছে। তার এ ছুটি নিয়ে তুমুল আলোচনা আদালত অঙ্গনে। আলোচনা রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও। সংবাদ মাধ্যমের শিরোনামেও একই বিষয়। ছুটিতে যাওয়ার পর গতকালই প্রথম জনসমক্ষে আসলেন সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। সকালে একবার গিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ান ভিসা আবেদন কেন্দ্রে। বিকালে সাক্ষাৎ করেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। সন্ধ্যায় পূজা দিতে স্ত্রীসহ যান ঢাকেশ্বরী মন্দিরে।

 

 

গতকাল থেকে নতুন আলোচনা প্রধান বিচারপতির বিদেশ যাত্রা নিয়ে। অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার জন্য গতকাল সকালে তিনি ভিসার আবেদন করেছেন। তবে তিনি কবে সেখানে যাচ্ছেন তার দিনক্ষণের বিষয়ে কোন সূত্রই নিশ্চিত করেনি। ষোড়শ সংশোধনীর রায় নিয়ে ক্ষমতাসীন দল ও সরকারের সমালোচনার মুখে পড়া প্রধান বিচারপতির হঠাৎ ছুটিতে যাওয়া নিয়ে পাল্টাপাল্টি আলোচনা রাজনৈতিক অঙ্গনে। বিএনপি’র পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে জোর করে প্রধান বিচারপতিরকে দায়িত্ব থেকে বিরত রাখা হয়েছে। প্রধান বিচারপতির ছুটিতে যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতিও। তবে তাদের এসব বক্তব্যকে রাজনৈতিক বলে মনে করছে সরকার।

 

 

নানামুখী আলোচনার মধ্যে প্রথম দুইদিন অনেকটা আড়ালেই ছিলেন প্রধান বিচারপতি। তার সঙ্গে আইনজীবী সমিতির একটি প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করতে গেলেও সাক্ষাৎ পায়নি। এজন্য প্রধান বিচারপতির বর্তমান অবস্থা জানতে গতকাল আপিল বিভাগে একটি আবেদনও করেছিলেন আইনজীবীরা। এ সময় ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, বিচারপতি সিনহা বাসায়ই আছেন। বেলা ১১টার পর সুপ্রিম কোর্টের একজন কর্মকর্তা ছুটিতে থাকা প্রধান বিচারপতির বাসায় তার পাসপোর্ট নিয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পর বেলা ১১টা ৩৫ মিনিটের দিকে প্রধান বিচারপতি অস্ট্রেলিয়ান ভিসা কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে গুলশানের দিকে রওয়ানা হন। সেখানে ভিসা আবেদনের প্রক্রিয়া শেষে বাসায় ফিরেন বেলা তিনটার দিকে।

 

 

ভিসা আবেদনের বিষয়ে প্রধান বিচারপতির দপ্তরের একজন কর্মকর্তা  বলেন, ভিসার আবেদন জমা দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। প্রক্রিয়া শেষ হলে দূতাবাস কর্তৃপক্ষ ফোনে আমাদের জানিয়ে দেবে। চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়া কিনা এমন প্রশ্নে ওই কর্মকর্তা বলেন, সেটা বলতে পারবো না। সেখানে তার মেয়ে থাকেন। বাসায় ফেরার পর বিকালে সুরেন্দ্র কুমার সিনহার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন আইনমন্ত্রী এডভোকেট আনিসুল হক। প্রায় আধাঘণ্টা প্রধান বিচারপতির সরকারি বাসভবনে অবস্থানের পর তিনি বেরিয়ে আসেন। এ সময় সুরেন্দ্র কুমার সিনহা মন্ত্রী বাসার লন পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে যেতে দেখা যায়। কিছুক্ষণ পরই লক্ষ্মীপূজায় অংশ নিতে স্ত্রীসহ ঢাকেশ্বরী মন্দিরে যান প্রধান বিচারপতি। প্রায় ২০ মিনিট সেখানে তিনি অবস্থান করেন। মন্দিরের কার্যালয়েও তিনি কিছু সময় অবস্থান করেন। এ সময় আইনজীবী রানা দাশগুপ্ত, সুব্রত চৌধুরীসহ মন্দির কমিটির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এদিকে আইনমন্ত্রী ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি আবদুল ওয়াহ্‌হাব মিঞার সঙ্গে তার খাস কামরায় সাক্ষাৎ করেন। এ সময় আপিল বিভাগের বিচারপতিরাও উপস্থিত ছিলেন। সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নেতারাও ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

 

 

প্রধান বিচারপতি তার বাসায় আছেন-ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি: প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা তার বাসাতেই আছেন বলে জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্‌হাব মিঞা।

 

 

প্রধান বিচারপতির বর্তমান অবস্থা জানতে চেয়ে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি জয়নুল আবেদীনসহ কয়েকজন সিনিয়র আইনজীবী গতকাল সকালে আপিল বিভাগের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির কাছে একটি আবেদন করেন। জয়নুল আবেদীন এ সময় বলেন, আমরা তার বাসায় গিয়েছিলাম। কিন্তু আমাদেরকে বলা হয়েছে, তিনি অসুস্থ। আমরা দেখা করতে পারিনি। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি এ সময় বলেন, তিনি বাসাতেই আছেন। এখন তিনি কার সঙ্গে দেখা করবেন বা করবেন না- এটা তো তার ব্যাপার। একপর্যায়ে সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন বলেন, এটি একটি বিচার বিভাগের বিষয়। আমরা আমাদের উদ্বেগের বিষয়টি আপনাকে জানালাম। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি বলেন, আমাদের তো কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। পরিস্থিতির কীভাবে উত্তরণ করা যায়, আপনারা তো আমার চেম্বারে এলেন না। এটা তো প্রকাশ্য আদালতের বিষয় নয়। আপনারা আমার কাছে আসতে পারতেন। এ সময় সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, আপনাদেরও তো দায়িত্ব আছে। আপনারা তো সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারকে পাঠিয়ে বিষয়টি জানতে পারতেন। জবাবে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্‌হাব মিঞা বলেন, ঠিক আছে। আপনারা আপনাদের উদ্বেগ জানিয়েছেন। বিষয়টি চিন্তা করবো।

 

 

পরে আইনজীবী সমিতির সভাপতি জয়নুল আবেদীন সাংবাদিকদের বলেন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি বলেছেন, আমাদের এ বিষয়টি নিয়ে তারা চিন্তা-ভাবনা করবেন বলে আামদের জানিয়েছেন। সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন বলেন, দেশের একজন প্রধান বিচারপতি সম্পর্কে নানা কথা হচ্ছে। যেটি দেশ, সরকার এবং বিচার বিভাগের জন্যও ভালো না। এ বিষয়টিই আমি আদালতে ব্যাখ্যা করে বলেছি।

 

 

অ্যাটর্নি জেনারেল তার কার্যালয়ে দলীয় লোকজন বেষ্টিত থাকেন- জয়নুল আবেদীন: অ্যাটর্নি জেনারেল তার অফিসকে দলীয় কার্যালয়ে পরিণত করেছেন এবং সেখানে তিনি দলীয় লোকজন পরিবেষ্টিত হয়ে থাকেন বলে অভিযোগ করেছেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি জয়নুল আবেদীন। প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বর্তমান অবস্থা জানতে চেয়ে গতকাল সকালে আপিল বিভাগে আবেদন জমা দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট বার ভবনের সামনে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে এ অভিযোগ করেন তিনি। ‘সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন একটি রাজনৈতিক দলের কব্জায় চলে গেছে’- অ্যাটর্নি জেনারেলের এমন মন্তব্যের জবাবে জয়নুল আবেদীন বলেন, বার অ্যাসোসিয়েশনকে আমরা কখনো দলীয় কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করিনি, ভবিষ্যতেও করবো না। বরঞ্চ অ্যাটর্নি জেনারেল তার অফিসকে দলীয় কার্যালয় বানিয়ে সেখানে তিনি দলীয় লোকজন পরিবেষ্টিত হয়ে থাকেন। তিনি একটি দলের স্বার্থ রক্ষা করছেন। জয়নুল আবেদীন বলেন, এই উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আমরা বার বার অ্যাসোসিয়েশনের ১৪ জন সদস্য ঐক্যবদ্ধভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই বার অ্যাসোসিয়েশন সকল আইনজীবীর। এখানে কোন দল-মত নেই।

 

 

আমরা আইন ও মামলার বাইরে যাই না- অ্যাটর্নি জেনারেল: অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে আইন ও মামলার বাইরে কোনো কাজ হয় না বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তিনি আরো বলেছেন, বিএনপি’র আইনজীবীরা জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য অহেতুক প্রশ্ন তুলছেন। গতকাল তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা। ‘অ্যাটর্নি জেনারেল তার কার্যালয়ে দলীয় পরিবেষ্টিত হয়ে থাকেন’ সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জয়নুল আবেদীনের এমন মন্তব্যে জবাবে মাহবুবে আলম বলেন, এগুলো তাদের অহেতুক দোষারোপ করা। অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসে আমরা কোনো সময় আইনের বাইরে, মামলা-মোকদ্দমার বাইরের বিষয়ে কোনো কথা বলি না। বরঞ্চ তারাই (বিএনপিপন্থি আইনজীবী) বার অ্যাসোসিয়েশনকে দলীয়করণ করে একটি দলের মুখপাত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন এবং জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য অহেতুক কতগুলো প্রশ্ন তুলছেন। তিনি বলেন, আজকে (গতকাল) ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি প্রকাশ্যে আদালতে স্পষ্ট বলে দিয়েছেন যে, প্রধান বিচারপতি তার বাসায়ই অবস্থান করছেন। প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার অস্ট্রেলিয়া যাওয়া প্রসঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, তিনিতো এর আগে অস্ট্রেলিয়া, কানাডায় গিয়েছেন। আমার জানামতে তার এক মেয়ে অস্ট্রেলিয়ায় থাকে। এক মেয়ে কানাডায় থাকে। এ সমস্ত দেশে তিনি এর আগেও গিয়েছেন। এখন উনি আবার যাবেন কি যাবেন না সেটি সম্পূর্ণভাবে তার ব্যাপার। কাজেই এগুলো নিয়ে অহেতুক বিভ্রান্তি না ছড়ানোই ভালো। আর প্রধান বিচারপতির বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি যেভাবে বলে দিয়েছেন এরপর এটি নিয়ে আর কোনো প্রশ্ন থাকতে পারে বলে আমার মনে হয় না।

 

এদিকে দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতির কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন সংগঠনের সরকারপন্থি আইনজীবীরা। আইনজীবী সমিতির সিদ্ধান্তের সঙ্গে তিনি এবং আরো কয়েকজন সদস্য একমত নন বলে জানান সমিতির সহ-সভাপতি মো. অজিউল্লাহ। তিনি বলেন, আইনজীবী সমিতির সভাপতি-সম্পাদক একটি  বিশেষ রাজনৈতিক দলের উচ্চপদে আছেন। তাদের বিশেষ একটি বিশেষ রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি আছে। আর যে সব জ্যেষ্ঠ আইনজীবীর সঙ্গে তাদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে মিল আছে, তারাই তাদের সঙ্গে বসেছেন, মতবিনিময় করেছেন। এখানে বারের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী বা বারের অন্য সদস্যদের কোনো মত নেই। বুধবার সমিতির বৈঠকে এবং  প্রেস ব্রিফিংয়ে তার (অজিউল্লাহ) উপস্থিতির বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি  বলেন, আমরা বারের নির্বাচিত সদস্য। যখন কার্যনির্বাহী কমিটির সভা ডাকা হয়, তখন সেখানে আমাদের থাকতে হয়। এটা সুপ্রিম কোর্ট বারের  রীতি। কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় না থাকলে সেটি গঠনতন্ত্রের অবমাননা  হয়। তাই আমাদের থাকতে হয়।

 

বিচার বিভাগকে সহযোগিতার কমতি হবে না: আইনমন্ত্রী  
দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্‌হাব মিঞাকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। দায়িত্বরত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্‌হাব মিঞার কার্যালয়ে গতকাল দুপুরে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। আইনমন্ত্রী বলেন, আইন মন্ত্রণালয় হচ্ছে বিচার বিভাগ এবং নির্বাহী বিভাগের মধ্যে সেতুবন্ধন। আমি তাদেরকে (আপিল বিভাগের বিচারকগণ) সে কথা বলেছি। তাই বিচার বিভাগকে আমাদের সহযোগিতার কোনো কমতি হবে না। আনিসুল হক বলেন, এটি সৌজন্য সাক্ষাৎ। তিনি (দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি) দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। ওনার দায়িত্ব পালনে আমার সম্পূর্ণ সহযোগিতার কথা বলেছি। সাক্ষাতের সময় আপিল বিভাগের অন্য বিচারপতিরা ছিলেন কি না, এমন  প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, একসময় আপিল বিভাগের অন্য চার বিচারপতিও এসেছিলেন। ওনাদের সঙ্গেও কথা হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান   বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্‌হাব মিঞা এ পর্যন্ত ২৭ বার ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। তাহলে আজ (গতকাল) কেন তার সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য এলেন, আগে কেন এলেন না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, আমার জানামতে ওনি কিন্তু বিচারিক কার্যভার অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি হিসেবে আগে করেননি। প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার ভিসার জন্য আবেদন করেছেন কি না, এমন প্রশ্নে আইনমন্ত্রী বলেন, আমি জানি না, আমার সঙ্গে কথা বলে তো ওনি করেননি।

Comments are closed.







পাঠক

Flag Counter



Developed By : ICT SYLHET

Developer : Ashraful Islam

Developer Email : programmerashraful@gmail.com

Developer Phone : +8801737963893

Developer Skype : ashraful.islam625

error: Content is protected !!