আপডেট ৯ ঘন্টা আগে ঢাকা, ১৬ই আগস্ট, ২০১৮ ইং, ১লা ভাদ্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ৪ঠা জিলহজ্জ, ১৪৩৯ হিজরী

Breaking News
{"effect":"fade","fontstyle":"normal","autoplay":"true","timer":4000}

প্রচ্ছদ আইন আদালত

Share Button

খালেদা জিয়ার জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগঃতবে…

| ০৭:২৭, মে ১৬, ২০১৮
ঢাকা ১৬ মে ২০১৮
খালেদা জিয়া। ফাইল ছবি

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত হয়ে কারাগারে থাকা বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

আজ বুধবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ এই রায় দেন।

খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও রাষ্ট্রপক্ষ পৃথক আপিল করেছিল। দুটি আপিলই খারিজ করেছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। ফলে খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রইল।

আদেশে আপিল বিভাগ বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টে পেপারবুক প্রস্তুত। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চকে আপিল (দণ্ডাদেশের রায়ের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল) আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন বহাল থাকলেও আরও কয়েকটি মামলায় তাঁকে জামিন নিতে হবে। সে জন্য তাঁর কারামুক্তিতে কিছু সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।

দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের পৃথক আপিলের ওপর শুনানি শেষে ৯ মে আপিল বিভাগ রায়ের জন্য ১৫ মে দিন রেখেছিলেন। এদিন (১৫ মে) অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ফের যুক্তিতর্ক করার জন্য আদালতে আবেদন করেন। পরে তাঁর যুক্তিতর্ক শুনে আজ (১৬ মে) রায় ঘোষণার দিন ঠিক করেন আপিল বিভাগ।

মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি  খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদন্ড ও অর্থদন্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫। বয়স ও সামাজিক মর্যাদার কথা বিবেচনা করে আদালত তাঁকে এই দণ্ডাদেশ দেন। এরপর থেকে খালেদা জিয়া নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন।

রায়ের পর আপিল করে জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন খালেদা জিয়া। শুনানি নিয়ে গত ১২ মার্চ হাইকোর্ট খালেদা জিয়াকে চার মাসের জামিন দেন। এই জামিনের বিরুদ্ধে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষ পৃথক লিভ টু আপিল করে, যা আপিল বিভাগ মঞ্জুর করেন। আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত খালেদা জিয়ার জামিনও স্থগিত হয়। স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার চেয়ে আবেদন করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা, যা সেদিন চেম্বার বিচারপতির আদালতে ওঠে। আদালত আবেদনটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান। এর ধারাবাহিকতায় ৮ ও ৯ মে আপিল বিভাগে খালেদা জিয়ার জামিন প্রশ্নে দুদক, রাষ্ট্রপক্ষ ও খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। ১৫ মে অ্যাটর্নি জেনারেল ফের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন।

এতিমদের সহায়তা করার উদ্দেশে বিদেশ থেকে পাঠানো ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করার অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই দুদক এই মামলা করে।

তদন্ত শেষে ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট খালেদা জিয়া, তাঁর বড় ছেলে তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন দুদকের উপপরিচালক হারুন অর রশীদ। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ আদালত খালেদা জিয়াসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ১০৯ ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় অভিযোগ গঠন করেন।

মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্রে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর এতিম তহবিলে ইউনাইটেড সৌদি কমার্শিয়াল ব্যাংক থেকে ১২ দশমিক ৫৫ লাখ মার্কিন ডলার আসে, যা বাংলাদেশি টাকায় তৎকালীন ৪ কোটি ৪৪ লাখ ৮১ হাজার ২১৬ টাকা। তিনি প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় ১৯৯১ সালের ৯ জুন থেকে ১৯৯৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই অর্থ দেশের প্রতিষ্ঠিত কোনো এতিমখানায় না দিয়ে অস্তিত্ববিহীন জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট গঠন করেন। অথচ কোনো নীতিমালা তিনি তৈরি করেননি, করেননি কোনো জবাবদিহির ব্যবস্থাও। অথচ খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রীর এতিম তহবিল থেকে ২ কোটি ৩৩ লাখ ৩৩ হাজার ৫০০ টাকা অস্তিত্ববিহীন জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টে পাঠান। পরে ওই টাকা আত্মসাৎ করেন, যার জন্য তিনি দায়ী। তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগপত্রে বলেন, খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায় থেকে নিজের পদমর্যাদা বলে সরকারি এতিম তহবিলের আর্থিক দায়িত্ববান বা জিম্মাদার হয়ে বা তহবিল পরিচালনার ভারপ্রাপ্ত হয়ে অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ করে দণ্ডবিধির ৪০৯ এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারার অপরাধ করেছেন।

 

খালেদা জিয়া এখনই মুক্তি পাবেন না: মওদুদ

মওদুদ আহমদ। ছবি: ইউএনবি

খালেদা জিয়ার আইনজীবী মওদুদ আহমদ বলেছেন, বিএনপির চেয়ারপারসনের মুক্তিতে কিছুটা বাধা আছে। তিনি এই মুহূর্তে মুক্তি পাবেন না। কারণ, অন্যান্য মামলায় তাঁকে আসামি দেখানো হয়েছে।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত হয়ে কারাগারে থাকা বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আপিল বিভাগ বহাল রাখার রায়ের পর সাংবাদিকের প্রশ্নে এসব কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য।

খালেদা জিয়ার কারামুক্তির বিষয়ে মওদুদ আহমদ বলেন, ‘নিম্ন আদালতের কতগুলো মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসনকে আসামি দেখানো হয়েছে। এ মামলাগুলোতে তাঁর জামিন নিতে হবে। এই জামিন নিতে যতটুকু সময় লাগে, সে সময়টুকু পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। চেষ্টা করব খুব দ্রুত করার।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য অভিযোগ করে বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসনের মুক্তি বিলম্বিত করতে সরকার নানা কৌশলে চেষ্টা করছে, করবে।

আপিল বিভাগ খালেদা জিয়ার জামিন বহাল রাখায় নিম্ন আদালতে বিএনপির চেয়ারপারসনের জামিন পেতে খুব বেশি অসুবিধা হবে না বলে মনে করেন মওদুদ আহমদ। তিনি বলেন, ‘আমরা খুব শিগগির চেষ্টা করব মামলাগুলোতে জামিন নিতে। আমাদের একটি আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। সেই জামিন পাওয়ার পর খালেদা জিয়া আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন। খুব শিগগির ফিরে আসবেন।’

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নিম্ন আদালতে কতগুলো মামলা আছে—এমন প্রশ্নে মওদুদ আহমদ জানান, এখন পর্যন্ত তিনটি কুমিল্লায়, দুটি ঢাকায়, একটি নড়াইলে মামলা আছে। যে কারণে এই মুহূর্তে তিনি মুক্তি পাবেন না।

‘এই মামলার বিচার আর বিলম্বিত করতে পারবেন না খালেদা জিয়া’

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। ফাইল ছবি

হাইকোর্টে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিচার খালেদা জিয়া আর বিলম্বিত করতে পারবেন না বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তিনি বলেন, হাইকোর্টে খালেদা জিয়ার আপিল আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

আজ বুধবার নিজ কার্যালয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আপিল বিভাগ খালেদা জিয়ার আপিল নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন। এখন আপিল শুনানির জন্য সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছি।’ তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়া নিম্ন আদালতে এই মামলার বিচার নয় বছর ঝুলিয়ে রেখেছিলেন। আপিল বিভাগের এ আদেশের ফলে এখানে আর বিচারকে তিনি বিলম্বিত করতে পারবেন না বলে আশা করা যায়।

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কয়টি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আছে, কয়টি মামলায় জামিন নিতে হবে—এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মাহবুবে আলম বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা এ তথ্য দিতে পারবেন।

মাহবুবে আলম বলেন, সচরাচর কোনো আসামির যদি একাধিক মামলা থাকে, তাহলে সেসব মামলায় জামিন না পাওয়া গেলে মুক্তি পাওয়া যায় না।

তবে খালেদা জিয়ার অন্য মামলার বিষয়ে জানতে তাঁর আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে প্রথম আলোকে তিনি জানান, খালেদা জিয়াকে আরও ছয়টি মামলায় জামিন নিতে হবে। খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কুমিল্লায় তিনটি, ঢাকায় দুটি এবং নড়াইলে একটি মামলা রয়েছে। হত্যা, বিশেষ ক্ষমতা আইন ও বিস্ফোরক আইনে কুমিল্লায় তিনটি মামলা করা হয়েছে। আর ঢাকার দুটি এবং নড়াইলের মামলা হচ্ছে মানহানির।

সকালে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ এই রায় দেন।

খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও রাষ্ট্রপক্ষ পৃথক আপিল করেছিল। দুটি আপিলই খারিজ করেছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। ফলে খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রইল।

আদেশে আপিল বিভাগ বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টে পেপারবুক প্রস্তুত। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চকে আপিল (দণ্ডাদেশের রায়ের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল) আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন বহাল থাকলেও আরও কয়েকটি মামলায় তাঁকে জামিন নিতে হবে। সে জন্য তাঁর কারামুক্তিতে কিছু সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।

দলবল দেখে আদেশ দিই না, খালেদার আইনজীবীকে প্রধান বিচারপতি

ফাইল ছবি

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন বহালের রায়ের সংক্ষিপ্ত আদেশ চেয়ে তাঁর আইনজীবীদের প্রার্থনা নাকচ করেছেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ আজ বুধবার দুপুরের দিকে এই আদেশ দেন। শুনানির একপর্যায়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, আমরা দলবল দেখে আদেশ দিই না।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত হয়ে কারাগারে থাকা খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখে আজ রায় দেন আপিল বিভাগ। রায়ের পর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খালেদা জিয়ার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী আদালতকে বলেন, জামিননামা দাখিল করতে চাই। তাই ঘোষিত রায়ের সংক্ষিপ্ত আদেশ চাচ্ছি। আদালত রায় ঘোষণা করেছেন, যা সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটেও থাকবে। রায়ের সংক্ষিপ্ত আদেশের কপি দিন।

মোহাম্মদ আলীর এমন প্রার্থনার পরিপ্রেক্ষিতে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আদালতে বলেন, রায় ঘোষণার পর সংক্ষিপ্ত আদেশের কপি দেওয়ার নজির নেই।

মোহাম্মদ আলী বলেন, রায়ের পর এক মুহূর্তও কাউকে আটকে রাখা হলে তা হবে বেআইনি আটক। এ জন্য সংক্ষিপ্ত আদেশ চাচ্ছি।

মোহাম্মদ আলীর উদ্দেশে আদালত বলেন, আপনি যা বলেছেন, তা আমাদের রুলসে নেই।

তখন মোহাম্মদ আলী বলেন, কোনো ব্যক্তির স্বাধীনতা অন্য যেকোনো বিষয়ের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

আদালত বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ রায় পাবেন।

বেঞ্চের এক বিচারপতি বলেন, সংক্ষিপ্ত আদেশ দেওয়ার নজির নেই।

মোহাম্মদ আলী বলেন, নজির নেই। আপনারা নজির সৃষ্টি করতে পারেন।

আদালত বলেন, আপনার আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হলো।

এ পর্যায়ে মোহাম্মদ আলী বলেন, আমি একা এসেছি। দলবল নিয়ে আসিনি।

মোহাম্মদ আলীর উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি বলেন, দল দেখে কি আমরা আদেশ দেব? দলবল দেখে আদেশ দিই না।

মোহাম্মদ আলীকে উদ্দেশ করে বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি বলেন, আপনি এটা কী বললেন?

বেঞ্চের অপর এক বিচারপতি মোহাম্মদ আলীকে উদ্দেশ করে বলেন, আপনি যে মন্তব্য করেছেন, সেটি আপত্তিজনক। আপনি কি আমাদের ফোর্স করতে পারেন? আপনি একজন আইনজীবী। কোনো দলীয় লোক নয়।

মোহাম্মদ আলর উদ্দেশে বেঞ্চর আরেক বিচারপতি বলেন, আপনার প্রার্থনা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। তর্ক করছেন কেন?

তখন মোহাম্মদ আলী বলেন, এটা ঠিক হয়নি।

বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ছয় থেকে সাত মিনিটের মতো এই শুনানি চলে।

শুনানিকালে মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী নওশাদ জমির, কায়সার কামাল ও মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

 

Comments are closed.







পাঠক

Flag Counter



Developed By : ICT SYLHET

Developer : Ashraful Islam

Developer Email : programmerashraful@gmail.com

Developer Phone : +8801737963893

Developer Skype : ashraful.islam625

error: Content is protected !!