আপডেট ৩ ঘন্টা আগে ঢাকা, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং, ৯ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১৩ই মুহাররম, ১৪৪০ হিজরী

Breaking News
{"effect":"fade","fontstyle":"normal","autoplay":"true","timer":4000}

প্রচ্ছদ অর্থ-বণিজ্য

Share Button

জি-৭ সম্মেলনের খবর, ছবিতে এবং ট্র্যাম্পের মন্তব্যে উত্তাপ ছড়িয়েছে

| ১৪:১০, জুন ৯, ২০১৮

লন্ডন টাইমস নিউজ । ৯ জুন । ২০১৮।

 

মোহাম্মদ আলীকে ‘ক্ষমা করা’ নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য প্রত্যাখান

মোহাম্মদ আলীকে 'ক্ষমা করা' নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য প্রত্যাখান

১৯৬৭ সালে ভিয়েতনাম যুদ্ধে যেতে অস্বীকৃতি জানানোর দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন কিংবদন্তী মুষ্টিযোদ্ধা প্রয়াত মোহাম্মদ আলী। সম্প্রতি তাকে ক্ষমা করার কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রেসিডেন্টের এই বক্তব্য প্রত্যাখান করেছেন মোহাম্মদ আলীর পরিবারের একজন আইনজীবী।

শিল্পোন্নত দেশগুলোর জোট ‘জি-সেভেন’ এর বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতে যাওয়ার আগে শুক্রবার হোয়াইট হাউজে ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন। সে সময় মি: ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, তিনি ভিয়েতনাম যুদ্ধে অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানানোর দায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়া প্রয়াত মোহাম্মদ আলীকে ক্ষমা করার কথা ভাবছেন।

মোহাম্মদ আলীকে ভিয়েতনাম যুদ্ধে অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানানোর এই অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে দণ্ড দেয়া হয়েছিল ১৯৬৭ সালে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিমকোর্ট ১৯৭১ সালে সেই দণ্ড বাতিল করে দেয়। এই বিষয়টি তুলে ধরে মোহাম্মদ আলীর আইনজীবী রন টুইল একটি বিবৃতি দিয়েছেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, ক্ষমার আর প্রয়োজন নেই। যেহেতু সুপ্রিমকোর্ট মোহাম্মদ আলীর দণ্ড অনেক আগেই বাতিল করে দিয়েছে, সেখানে দণ্ড না থাকলে এ রকম ক্ষমার আর প্রয়োজন থাকে না। তবে আইনজীবী রন টুইল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আসলে ৩০০০ লোককে ক্ষমা করার কথা বলেছেন। তার বক্তব্য হচ্ছে, প্রেসিডেন্ট ৩০০০ লোককে ক্ষমা করার কথা ভাবছেন এবং তাদের মধ্যে মুষ্টিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী রয়েছেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘এসব ব্যক্তির অনেকের নামের প্রতি সুবিচার করা হয়নি। আমি মোহাম্মদ আলীকে নিয়ে ভাবছি। আমি তাঁকে এবং অন্যদের বেশ গুরুত্ব দিচ্ছি। এমন কিছু ব্যক্তিকে শাস্তি দেওয়া হয়েছিল, যেটা ন্যায্য ছিল না।’

Donald Trump was sat next to Angela Merkel and Theresa May during a meeting today at the G7 Summit

কিন্তু মোহাম্মদ আলী কেন ভিয়েতনাম যুদ্ধে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন? কিংবদন্তি এই ক্রীড়াবিদ খ্রিষ্টান পরিবারে জন্ম নিলেও পরে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। ১৯৬৬ সালে তাঁকে ভিয়তেনাম যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বলা হয়েছিল। তখন মোহাম্মদ আলী তাঁর ধর্মীয় বিশ্বাসকে কারণ হিসেবে দেখিয়ে ঐ যুদ্ধে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন।

পরের বছরই ১৯৬৭ সালের জুন মাসে তাঁকে আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়। বিচারিক আদালত তাঁর দশ হাজার ডলার জরিমানা এবং ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল। সেই আদেশ বাতিল করেছিল যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিমকোর্ট। ২০১৬ সালে ৭৪ বছর বয়সে পারকিনসন রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান মোহাম্মদ আলী।

Leaders of the G7 participate in a working session of the G7 Summit in La Malbaie, Quebec, Canada, earlier today

এই ঘ্টনার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমা করার ক্ষমতার প্রেমে পড়েছেন বলে অনেকে মনে করছেন। অনেকে আবার মনে করছেন, ট্রাম্প তার ক্ষমা করার ক্ষমতা যেভাবে ব্যবহার করার কথা বলছেন, সেটাকে বেশিরভাগ মানুষ বিনোদন হিসেবে নিচ্ছে। কারণ মোহাম্মদ আলীর মৃত্যু ২ বছর পর তাঁকে ক্ষমা করার মতো উদ্ভট কথা বলছেন ট্রাম্প। এছাড়া মোহাম্মদ আলীর সেই দণ্ডও বহু আগে বাতিল হয়ে গেছে। অন্যদিকে, কয়েকদিন আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, নিজেকে ক্ষমা করার ক্ষমতাও তার আছে। এই বক্তব্য নিয়েও নানা আলোচনা চলছে রাজনৈতিক আঙ্গণে।

জি-সেভেন সামিট: রাশিয়ার অর্ন্তভুক্তি প্রশ্নে প্রথম দিনেই একঘরে ট্রাম্প!

জি-সেভেন সামিট: রাশিয়ার অর্ন্তভুক্তি প্রশ্নে প্রথম দিনেই একঘরে ট্রাম্প!

শুক্রবার শিল্পোন্নত দেশগুলোর সম্মেলন জি-সেভেন শুরু হয়েছে। আর এই সম্মেলনের প্রথম দিনেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে অন্য নেতাদের মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে।

জি-সেভেনে আবারো রাশিয়ার অন্তর্ভুক্তির আহবান জানান ট্রাম্প। ট্রাম্পের এই প্রস্তাবে অসম্মতি জানান অন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোর নেতারা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, জি-সেভেন (যা আগে জি-এইট ছিল) রাশিয়াকে বের করে দিয়েছে। আমাদের উচিত রাশিয়াকে ফিরতে দেওয়া।

The leaders of all the major G7 countries and EU's Donald Tusk and Jean-Claude Juncker line up for a photo op in Canada today

ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল বলেছেন, ইউরোপীয় সদস্য দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের ভাবনার সঙ্গে একমত নয়।

তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো সম্মত হয়েছে যে, ইউক্রেন নিয়ে অগ্রগতি না হলে রাশিয়াকে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না।

এদিকে, কানাডাও ট্রাম্পের ওই প্রস্তাবের বিরোধীতা করেছে বলে জানা গেছে।

‘ট্রাম্পের সঙ্গে ইউরোপের বিরোধ চরমে উঠেছে’

‘ট্রাম্পের সঙ্গে ইউরোপের বিরোধ চরমে উঠেছে’

ইউরোপ ইরানের সঙ্গে হওয়া ২০১৫ সালের পরমাণু সমঝোতা টিকিয়ে রাখার জন্য ব্যাপক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইরান নতুন করে পরমাণু কর্মসূচি শুরু করার প্রস্তুতি ঘোষণা দেওয়ার পর এ লক্ষ্যে ইউরোপের দেশগুলো কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে।

কিন্তু বিষয়টি নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইউরোপের বিরোধ চরমে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মের্কেল।

জার্মানি, ব্রিটেন ও ফ্রান্সের পররাষ্ট্র ও অর্থমন্ত্রীরা তাদের মার্কিন সমকক্ষ মন্ত্রীদের কাছে লেখা চিঠিতে পরমাণু সমঝোতা থেকে ইরানের বেরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা ও এর পরিণতির ব্যাপারে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ওই চিঠিতে ইউরোপের যেসব কম্পানি ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করতে চায় তাদেরকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় না রাখার জন্য ওয়াশিংটনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

Theresa May and her husband Philip with Canadian PM Justin Trudeau and his wife Sophie at the G7 summit in Canada.america's steel tariffs and the Iran deal are top of the list for discussions at the meeting

চিঠিতে মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে, ইরান যদি পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যায় তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হবে।

ইরানের আণবিক শক্তি সংস্থা গত সোমবার আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা বা আইএইএ’র প্রধানের কাছে লেখা চিঠিতে পরমাণু সমঝোতার আওতায় ব্যাপক মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার প্রস্তাব দেয়ার পরই ইউরোপ কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি পরমাণু সমঝোতার কাঠামোর ভেতরে থেকেই ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সক্ষমতা এক লাখ ৯০ হাজার এসডাব্লিউইউতে উন্নীত করার প্রস্তুতি নিতে জাতীয় আণবিক শক্তি সংস্থার প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন। ইরানের স্বার্থ সংরক্ষণ করা না হলে পরমাণু সমঝোতা থেকে তেহরানের বেরিয়ে যাওয়ার হুমকি ইউরোপকে গভীর উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।

Prime Minister of Canada Justin Trudeau greets Theresa May at the G7 summit. The two leaders say tey want to build on their close bilateral relationship

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, ‘ব্যাপক মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের জন্য ইরানের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত আইনের লঙ্ঘন নয়। কিন্তু এ পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হলে সম্ভাব্য উত্তেজনা সৃষ্টির ব্যাপারে আমরা চিন্তিত।’

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর ইউরোপীয় কমিশন মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ধাক্কা সামলানোর জন্য ‘নিষেধাজ্ঞা মোকাবেলা আইন’ ব্যবহারের চিন্তাভাবনা করছে। তাদের এ পদক্ষেপের ফলে ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করতে ইচ্ছুক ইউরোপীয় কম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মোকাবেলা করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Theresa May and Angela Merkel appear slightly awkward standing next to each other before the photocall for the Summit

১৯৯৬ সালে কিউবার বিরুদ্ধে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা মেকাবেলায় ইউরোপ ওই আইন অনুমোদন করেছিল যদিও তা কখনো ব্যবহার করা হয়নি। বর্তমানে ওই আইনের সংশোধন করা উচিত যাতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মোকাবেলায় আইনটি ব্যবহার করা যায়। এই আইনটি বাস্তবায়িত হলে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ক্ষতি থেকে ইউরোপের কম্পানিগুলোকে রক্ষা করা যাবে। আইনটি কার্যকর করা হলে ইউরোপের কম্পনিগুলো সরকারের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে।

German Chancellor Angela Merkel, French President Emmanuel Macron, Theresa May, and Italian Prime Minister Giuseppe Conte held talks at the G7 today. They are all united in opposing the US tariffs warning it could plunge the world into a trade war 

এ ছাড়া, ইউরোপীয় কমিশন এমন একটি আইন অনুমোদন করেছে যাতে ইউরোপের ব্যাংকগুলো ইরানে বিনিয়োগে ইচ্ছুক ইউরোপীয় পুঁজিবিনিয়োগকারীদের সহায়তা করতে পারে। ইউরোপের এসব পদক্ষেপকে পরমাণু সমঝোতা টিকিয়ে রাখার জন্য নতুন করে তাদের প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মের্কেল বলেছেন, পরমাণু সমঝোতার ব্যাপারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইউরোপের বিরোধ চরমে উঠেছে।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর ‘স্কুল শিক্ষিকা’ মূলক আচরণে অতিষ্ঠ ট্রাম্প!

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর ‘স্কুল শিক্ষিকা’ মূলক আচরণে অতিষ্ঠ ট্রাম্প!

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে-র ‘স্কুল শিক্ষিকা’ মূলক আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে গেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর তাই জি সেভেন সম্মেলনে তার সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কোনো বৈঠকে বসবেন না বলে জানিয়েছেন তিনি।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক গণমাধ্যম দ্যা টেলিগ্রাফকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান ট্রাম্প।

ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সঙ্গে হুমকি-ধামকি সহ যে ভাষায় থেরেসা মে কথা বলেন তার প্রতি তিনি বিরক্ত হয়ে আছেন।

Theresa May (pictured with Emmanuel macron at the G7 summit today) has said she wants the UK to be a champion of free trade

থেরেসা মে-র বারংবার বিভিন্ন দাবি দাওয়ার প্রতিও বিরক্তি প্রকাশ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এর ফলে বিভিন্ন দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সম্পর্কের ফায়দা নেয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যৌথ সংবাদ সম্মেলন ম্যাক্রোঁ ও ট্রুডোর

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যৌথ সংবাদ সম্মেলন ম্যাক্রোঁ ও ট্রুডোর

ইরানকে পরমাণু সমঝোতা ছাড়তে বাধ্য না করার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরন। পাশাপাশি বাণিজ্য নিয়ে মার্কিন বলদর্পী বা কর্তৃত্বকামী হুমকির মোকাবেলায় বিশ্ব নেতাদের তিনি রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

ট্রাম্পকে উদ্দেশ করে ম্যাক্রোঁ বলেছেন, ‘আপনার পূর্বসূরীর সই করা চুক্তি মেনে নিতে আপনার ভালো না লাগতে পারে কারণ তাতে আপনার পূর্বসূরী সই করেছেন কিন্তু অন্যদেরকে এ চুক্তির প্রতি সম্মান দেখানো থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করবেন না এবং ইরানকে এ চুক্তি থেকে বেরিয়ে যেতে বাধ্য করবেন না।’

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে অটোয়ায় এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এসব কথা বলেছেন।

Donald Trump has angered Justin Trudeau and Emmanuel Macron by imposing tariffs on steel 

কানাডার কুইবেকে অনুষ্ঠিত হচ্ছে শিল্পোন্নত দেশগুলোর সংগঠন জি-সেভেনের শীর্ষ সম্মেলন। এর অবকাশে দুই নেতা যৌথ সংবাদ সম্মেলন করলেন। আমেরিকা এবং অন্য ছয়টি দেশের মধ্যে বাণিজ্য, জলবায়ু পরিবর্তন ও ইরানের পরমাণু সমঝোতা নিয়ে তীব্র মতবিরোধের মধ্যে এবারের শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ম্যাক্রোঁ বলেন, ‘আমি সহযোগিতা ও বহুত্বপাক্ষিকতায় বিশ্বাস করি কারণ আমি আমার সমস্ত শক্তি দিয়ে বলদর্পিতাকে প্রতিহত করব। বলদর্পিতা ‘জোর যার মুল্লুক তার’ নীতি প্রতিষ্ঠা করে। বলদর্পিতার মাধ্যম আইনের শাসনের অবসান ঘটে।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মিত্রদেশগুলোর ওপর বাণিজ্য শূল্ক আরোপ করার পর ম্যাক্রোঁ এসব কথা বললেন। ট্রাম্পের শূল্ক আরোপের ঘটনাকে তাদের সঙ্গে যুদ্ধের দামামা বাজানো বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ট্রাম্পকে উদ্দেশ করে ম্যাক্রোঁ বলেন, ‘আন্তর্জাতিক এই প্রেক্ষাপটে আপনি মিত্রদের বিরুদ্ধে বাণিজ্য-যুদ্ধ শুরু করতে পারেন না। এটা আমার কাছে নীতির প্রশ্ন।’

(Left to right) Justin Trudeau, Theresa May and Donald Tusk all check their watched after the family photo call during the G7 Summit

তিনি আরো বলেন, ‘জি-সেভেন সংগঠনের মধ্যে আমেরিকার বাজারের চেয়ে বাকি ছয় সদস্যের বাজার বড়।’ তিনি সদস্য দেশগুলোকে বোঝানোর চেষ্টা করেন যে, মার্কিন সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সম্মেলনের চূড়ান্ত বিবৃতি তৈরি করা ঠিক হবে না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, মার্কিন প্রত্যাশা পূরণের চেষ্টার চেয়ে সদস্য দেশগুলোর উচিত হবে অভিন্ন মূল্যবোধ তুলে ধরা।

Not seeing eye to eye: Donald Trump and Justin Trudeau have exchanged barbs with one another following the US president imposing tariffs on steel

সংবাদ সম্মেলনে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো মার্কিন শূল্ককে ‘একতরফা ও অবৈধ’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে তাদের ওপর শুল্ক আরোপ করা হাস্যকর ব্যাপার। ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ তার নাগরিকদের জন্য ক্ষতি ডেকে আনবে।Donald Trump and Justin Trudeau seen walking along together despite their differences at the G7 meeting

Best of friends: British Prime Minister Theresa May and Canadian Prime Minister Justin Trudeau greet each other today

Comments are closed.







পাঠক

Flag Counter



Developed By : ICT SYLHET

Developer : Ashraful Islam

Developer Email : programmerashraful@gmail.com

Developer Phone : +8801737963893

Developer Skype : ashraful.islam625

error: Content is protected !!