আপডেট ১৪ ঘন্টা আগে ঢাকা, ১৩ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং, ২৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ৫ই রবিউস-সানি, ১৪৪০ হিজরী

Breaking News
{"effect":"fade","fontstyle":"normal","autoplay":"true","timer":4000}

প্রচ্ছদ আইন আদালত

Share Button

সাবেক কাউন্সিলর শাহেদ আলীকে ১শ ৮০ হাজার পাউন্ড ফেরতের জন্য আদালতের নির্দেশ

| ১৬:২৮, জুলাই ১১, ২০১৮

লন্ডন টাইমস নিউজ । আদালত প্রতিবেদক । ১১ জুলাই। ২০১৮

 

হাউজিং জালিয়াতির দায়ে সাবেক কাউন্সিলর শাহেদ আলীকে মোট ১শত ৮০ হাজার পাউন্ড ফেরত অথবা জেলে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বাজেয়াপ্তকরণ আদেশ অনুযায়ী, শাহেদ আলীকে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলকে (সরকারকে) ১শত ১০ হাজার পাউন্ড এবং মামলার খরচ বাবদ ৭০ হাজার পাউন্ড প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন।

 

২০০৯ সালে কাউন্সিলর শাহেদ আলী তার নিজস্ব কোন বাসা বাড়ি না থাকায় আত্মীয় স্বজনের সোফায় ঘুমাতে হয় বলে সোশ্যাল হাউজিং এর জন্য আবেদন করেন। ফলে, ক্রিস্টিয়ান স্ট্রীটে তার নামে ১ বেডরুমের ফ্ল্যাট কাউন্সিল বরাদ্ধ করে।

 

তদন্তে দেখা যায়, ঐ সময়ে তার নামে টাওয়ার হ্যামলেটসে দুটি বাড়ি ছিলো।

 

মানচেস্টার রোডে তার প্রাইভেট প্রোপার্টি এবং যে ওয়ার্ড থেকে তিনি কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন, সেই হোয়াইট চ্যাপেল এলাকায় তার ব্যক্তিগত বাড়ির বা প্রোপার্টির তথ্য তিনি গোপণ করেছিলেন।

 

এই সময় তিনি তার নামে সিঙ্গেল পার্সন কাউন্সিল ট্যাক্স ডিসকাউন্টের আবেদন করলেই কাউন্সিলের সন্দেহ হয়। কারণ ঐ সময়ে তিনি আরেকটি প্রোপার্টির জন্য কাউন্সিল ট্যাক্সের নিবন্ধিত ছিলেন।

 

কাউন্টার ফ্রড এবং অভিজ্ঞ সোশ্যাল ফ্রড টিমের অনুসন্ধানে এবং তথ্যাদি পরীক্ষা নিরীক্ষা ও অনুসন্ধানে তার বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে বেনিফিশিয়ারি হওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়।

 

তাদের যৌথ তদন্তে দেখা যায়, শাহেদ আলী দুটি শুধু নয়, ফিন্টন অন সীতেও তার আরেকটি প্রোপার্টি রয়েছে, যেখানে নীচ তলাতে একটি কারি হাউসও চলছে।

 

তদন্তে শাহেদ আলীর বিরুদ্ধে ২০০৯ সালের ১লা অক্টোবর থেকে ২০১৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তার নামে দুটি প্রোপার্টির  তথ্য প্রকাশের ব্যর্থতার অভিযোগ আনা হয়।

 

২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শাহেদ আলী স্নেয়ার্সব্রুক ক্রাউন কোর্টে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ স্বীকার করে নিলে আদালত ৫ মাসের জেলদন্ড দেন। একই সাথে কাউন্সিলের পদে অযোগ্য এবং পাচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।

 

এ ব্যাপারে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের চীফ এক্সিকিউটিভ উইল টাকলি বলেন,  এটা বিস্ময়কর এক জালিয়াতির ঘটনা। এর মাধ্যমে শুধু অপরাধীর শাস্তিই নিশ্চিত হয়নি, বরং জনগনের টাকা ফেরতের ব্যবস্থা হচ্ছে।

 

আর মেয়র জন বিগস তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, একজন নির্বাচিত প্রতিনিধির দ্বারা এধরনের প্রতারণা অত্যন্ত লজ্জা জনক। কারণ তিনি এর মাধ্যমে শুধু প্রতারণাই করেননি, বরং একটি পরিবারকে তার প্রয়োজনীয় বাসস্থান বা বাড়ি প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত করেছেন।

 

 

 

 

Comments are closed.







পাঠক

Flag Counter



Developed By : ICT SYLHET

Developer : Ashraful Islam

Developer Email : programmerashraful@gmail.com

Developer Phone : +8801737963893

Developer Skype : ashraful.islam625

error: Content is protected !!