আপডেট ২ ঘন্টা আগে ঢাকা, ২৩শে অক্টোবর, ২০১৮ ইং, ৮ই কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪০ হিজরী

Breaking News
{"effect":"fade","fontstyle":"normal","autoplay":"true","timer":4000}

প্রচ্ছদ জাতীয়

Share Button

কামরানকে যে কারনে হেরে যেতে হয়

| ০০:০২, আগস্ট ১, ২০১৮

সিলেট । বিশেষ প্রতিনিধি । ১ আগস্ট । ২০১৮।

(উপরের  স্ক্রিনশটঃইত্তেফাক থেকে)

রাত ৮টার কিছু পরে হঠাৎ করে সরব হয়ে উঠে প্রধানমন্ত্রীর অফিস।রাতারাতি সব কিছু বদলে যায়-জন্ম নেয় নতুন দৃশ্যপটের। এমনকি কামরানের বিজয়ের সিলেটবাসিকে অভিনন্দন বার্তাটিও ছুড়ে ফেলা হয় ডাস্টবিনে। রাজশাহী বরিশালের নির্লজ্জ কেলেঙ্কারি ঢাকার ও চাপা দেয়ার মোক্ষম সুযোগ এসে যায়-এ যেন না চাইতেই পাওয়া। বলি করা হয় সিলেটের কামরানকে। টেলিফোন চলে যায় রিটার্নিং অফিসারের কাছে দ্রুত। ফলে যা হওয়ার তাই ঘটে যায় দ্রুত। এমনকি আরিফেরও কল্পনার বাইরে সিনারিও রাত ১০.৪৭-১১.০০টার মধ্যে এতো দ্রুত পট পরিবর্তন হয়ে যায়-দিনের বেলা যে আরিফ নির্বাচন বাতিলের আহবান জানিয়ে আল্লাহর দরবারে এমন নির্লজ্জ নির্বাচনের বিচার চেয়েছিলেন, রাত ১১.০১ মিনিটেই তিনিও দাবী করে বসেন, আরো বেশী ভোটের ব্যবধানে তিনি নির্বাচিত হতেন যদি ফেয়ার হতো।কারণ রাজশাহী ও বরিশালের মেয়রেরা দ্রুত সব কাজ সম্পন্ন করেন। ফলাফল দিনের বেলাই ঘোষণার ব্যবস্থা করেন তড়িঘড়ি করে, যাতে কেন্দ্রীয় রাজনীতির নাটকীয় সিদ্ধান্তের বলি হতে না হয়। তাদের জানাই ছিলো, এরকম পরিস্থিতিতে কাউকে না কাউকেই হারতে হবে-এটা ছিলো অবধারিত।সিলেটের কামরান ভোট গণনায় দেরি করে ফেলেন। এভাবেই দেশের অন্যান্য আলোচিত সকল ঘটনার ন্যায় শেখ হাসিনার সরকার তিন সিটি নির্বাচনের অপকর্মের কীর্তি কলাপ সহজেই চাপা দিবেন।সব চাপা পড়া ঘটনার পেছনে কাউকে না কাউকেতো বলির পাটা বানাতে হয়। এবার না হয় দলীয় কোন্দলের ও নৈরাজ্যের সুযোগে শেখ হাসিনার প্রিয় আস্থাভাজন কামরানই হলেন-এই আর কী ? ঢাকার রাজনীতিতে এটাই স্বাভাবিক। এরকম অবস্থা চলবে আরো কিছুকাল হয়তো।

 

আওয়ামীলীগকেতো জাতীয় নির্বাচন করতে হবে। ছাত্রদের দাবী নিয়ে মাঠে এখনো সক্রিয়। নতুন নতুন জোটও মাঠে। সিটি নির্বাচনের এই কমিশনের অকর্মন্যতা আর অপদার্থের সংবাদ সরে জমিনে বিদেশী পর্যবেক্ষকেরা দেখেছেন। ঢাকার ভারতীয় দূতাবাসের শ্রী শ্রিংলা চেষ্টা করেছিলেন বিদেশী পর্যবেক্ষদের কারো না কারো মুখ দিয়ে নির্বাচন কমিশনের কিছুটা হলেও প্রশংসা করাবেন-ছোট খাটো ভুল সব জায়গায়ই থাকে, এমন করে। কিন্তু কেউ রাজি না হওয়াতে পরিবেশ সন্ধ্যার পর থেকেই দ্রুত পাল্টাতে থাকে। পরিস্থিতি নাগালের বাইরে যাওয়ার আগেই এবং আল জাজিরা রিপোর্ট করার সুযোগ না দিতেই কামরানকেই শেষপর্যন্ত..(তৃতীয় মত)

 

সিটি নির্বাচন ওলটপালট করে দিয়েছে সিলেট আওয়ামী লীগের রাজনীতি। পরাজয়ের পর অবিশ্বাসের দোলাচলে হাবুডুবু খাচ্ছেন শীর্ষ নেতারা। কামরানের পরাজয় ঝাঁকুনি দিয়েছে দলের তৃণমূল কর্মীদের। কেন্দ্র দখল, টেবিলকাস্ট, প্রভাব বিস্তার যা করা প্রয়োজন সবই করা হয়েছে নির্বাচনে। তবুও জয় ঘরে ওঠেনি। এর কারণ কী- গতকাল দলের জেলা ও মহানগর পর্যায়ের শীর্ষ নেতাদের প্রশ্ন করা হলে জবাবে জানান- বড় ধরনের ‘ষড়যন্ত্র’ হয়েছে সিলেটের নির্বাচনে।

এই ষড়যন্ত্রও সিলেটে নতুন। এর প্রভাব আগামী জাতীয় নির্বাচনে ব্যাপকভাবে পড়বে বলে জানান কেউ কেউ। এদিকে- দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে এ হারের জন্য সিলেটের দুর্বল সাংগঠনিক ব্যবস্থাকে দুষলেও স্থানীয় নেতারা সেটি মানতে নারাজ। সিলেটে আওয়ামী লীগ তিনভাগে বিভক্ত। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ ও মহানগর সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান- এই তিন নেতা তিন বলয়ের নেতৃত্বে রয়েছেন। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পরপরই এই বলয়গুলো দৃশ্যমান হয়। পাশাপাশি সিলেট মহানগরের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদও নতুন আরেকটি বলয় গড়ে তুলেছেন। যতই দিন যাচ্ছে বিবদমান এই বলয়গুলোর মধ্যে দ্বন্দ্ব আরো প্রকট হয়ে উঠেছে। ২০০৩ সালের সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কামরানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল আওয়ামী লীগের সব বলয়। এ সময় তারা অনেকটা প্রকাশ্যেও নামেন। এতে করে একা লড়াই করে হেরে যান কামরান। ওই নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগের ভেতরে দ্বন্দ্ব আরো প্রকট হয়ে উঠেছিল। তবে- কামরান দ্বন্দ্বকে অদৃশ্য করে রাখতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন। সব বলয়ের সঙ্গে সমান সখ্য গড়ে তিনি চলার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি।

 

 

দলের নেতা-কর্মীরা জানিয়েছেন- গত সিটি করপোরেশন নির্বাচনের পর থেকে বিএনপি দলীয় মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে ‘উন্নয়ন’ সম্পর্ক গড়ে উঠে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের। এই সম্পর্কের কারণে অর্থমন্ত্রীর আনুকূল্য নিয়ে সিলেটে ব্যাপক উন্নয়ন ঘটান আরিফুল হক চৌধুরী। আরিফের উন্নয়ন নিয়েও আওয়ামী লীগের ভেতরে নানা অসন্তোষ দেখা দেয়। চলতি বছরের ৩০শে জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিলেটে সফরকালে প্রকাশ্য জনসভায়ও সেটি জানানো হয়। এতসবের পরও শেষ মুহূর্তের বিএনপি দলীয় মেয়র আরিফের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হয়নি অর্থমন্ত্রী বলয়ের। ভোটের দিন সিলেট নগরীর দুর্গাকুমার ভোটকেন্দ্রে নিজের ভোট প্রদান করে সাংবাদিকদের কাছে আরিফ সম্পর্কে কোনো বিরূপ মন্তব্য করেননি অর্থমন্ত্রী। বরং তিনি বলেছেন- আরিফ সিলেটের উন্নয়ন করেছেন। একই সঙ্গে কামরানও উন্নয়ন করেছে। অর্থমন্ত্রীর এই বক্তব্য নিয়ে কামরান বলয়ের নেতা-কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। আর সোমবার অর্থমন্ত্রী ঢাকা থেকে হেলিকপ্টার যোগে সিলেটে এসে ভোট দিয়ে গেলেও তার সঙ্গে কামরান কিংবা দলের শীর্ষ নেতাদের দেখাও হয়নি। এ সময় অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে কেবল তার বলয়ের নেতারাই উপস্থিত ছিলেন। সিলেটের রাজনীতিতে প্রায় তিন বছর ধরে বিচরণ করছেন অর্থমন্ত্রীর ছোটো ভাই ড. একে আবদুল মোমেন। তিনিও সিলেটে অর্থমন্ত্রীর বলয়কে সঙ্গে নিয়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন।

 

 

কামরানের সঙ্গে দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব পুরনো। সিলেটে এখন কামরান থেকে সিনিয়র নেতা অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ। বর্তমান সরকারের শাসনের শুরুতে কামরান যখন অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তখন মহানগর সভাপতি ছিলেন বদর উদ্দিন আহমদ কামরান। ওই সময় সিলেট আওয়ামী লীগের ‘চার’ খলিফার মধ্যে চতুর্থ ছিলেন মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ। কিন্তু দলীয় সভানেত্রী হঠাৎ করে তাকে কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক করায় সিলেট আওয়ামী লীগের নেতারা প্রথমে সেই সিদ্ধান্ত মনেপ্রাণে গ্রহণ করতে পারেননি। অবশ্য পরপর দুই টার্ম মিসবাহ সিরাজ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগ) দায়িত্ব পালনের সময় তিনি সিলেটে নিজের শক্তি বাড়াতে বলয় গড়ে তুলেছেন। আর এই বলয় সিলেটে অর্থমন্ত্রী ও কামরান বলয়ের রাজনীতি বিশাল চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দেয়। মিসবাহ সিরাজের অংশের নেতারা সিলেটে অর্থমন্ত্রীকে নানাভাবে বিতর্কিত করারও চেষ্টা চালায়। এরপর থেকে সিলেটের আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ‘সতর্ক’ হয়েছেন মন্ত্রী বলয়ের নেতারা।

 

 

এবারের সিটি নির্বাচনেও অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ ও তার বলয়ের নেতা-কর্মীদের ভূমিকা নিয়ে ‘অসন্তুষ্ট’ কামরান অংশের নেতারা। এর কারণ- সিটি নির্বাচনের প্রচারণা শুরু হলেও হঠাৎ করে ১০ দিনের জন্য বৃটেনে চলে যান অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ। এ সময় তার বলয়ের নেতারাও সিলেটে নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। পরে এসে অবশ্য মিসবাহ সিরাজ নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন। তবে তার বলয় ততটা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেনি। নির্বাচনী ফলাফলে দেখা গেছে- অ্যাডভোকেট মিসবাহ সিরাজের ঘনিষ্ঠজন কাউন্সিলর আফতার হোসেন খান বিপুল ভোটে এবারো কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু আফতাব হোসেনের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে নৌকা ভোট পেয়েছে কম। আবার নগরীর ১০ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিনের সিরাজের ভাগিনা তারেক আহমদ তাজ। এ ওয়ার্ডেও নৌকা ভোট পেয়েছে কম। অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজের নেতাকর্মীরাও নির্বাচনের দিন নিষ্ক্রিয় ভূমিকায় ছিলেন।

 

 

এবারের সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের সঙ্গে নৌকার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ। পরবর্তীতে গণভবনে ডেকে নিয়ে গিয়ে দলের সভানেত্রী কামরানের হাতেই তুলে দেন নৌকা প্রতীক। ওই সময় অবশ্য দলের সিদ্ধান্তকে পুরোপুরি স্বাগত জানান আসাদ উদ্দিন আহমদ। এরপর দলের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ সিলেটে এসে কামরানের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব করেন আসাদকে। আর দায়িত্ব পাওয়ার পরপরই বদলে যায় দৃশ্যপট। আসাদ উদ্দিন আহমদ প্রথম দিকে ভোটের মাঠে সক্রিয় ভূমিকা রাখলেও পরে তিনি নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েন। শেষ পর্যায়ে এসে তিনি প্রায় চুপ হয়ে যান। নির্বাচনী মাঠ থেকে হঠাৎ আসাদের নিষ্ক্রিয়তা নানা সমালোচনার জন্ম দেয়। আসাদ উদ্দিন আহমদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটি সদস্য সচিব হলেও নির্বাচনের দিন বিকেল থেকে তিনি বাসায়ই ছিলেন। দলীয় কার্যালয়ে কিংবা ফলাফল ঘোষণার সময় রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে যাননি।

 

 

এদিকে সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এবার মনিটরিং করেছেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগ) আহমদ হোসেন। তিনি নির্বাচনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করতে নানাভাবে চেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ হন। এ কারণে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশে ভোটের আগের দিন দলের শীর্ষ নেতাদের একসঙ্গে নিয়ে বৈঠক করলেও তাদের মধ্যে মান-অভিমান কমেনি। সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নজিরবিহীন জাল ভোটের পরও জয় ঘরে তুলতে পারেনি আওয়ামী লীগ। ভোট গেল কোথায় এ নিয়ে এখন সিলেটে আলোচনা তুঙ্গে। তবে ভোটের দিন আওয়ামী লীগের কর্মীরাই ‘জয়বাংলা’ স্লোগান দিয়ে ভোট দিয়েছে ধানের শীষে। গতকাল সিলেট আওয়ামী লীগেরই বেশ কয়েকজন নেতা এ অভিযোগ জানিয়ে বলেন- নৌকায় নয়, জাল ভোট বেশি হয়েছে ধানে। কেন্দ্র দখলকারী যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীরা নৌকার পরিবর্তে ধানের শীষে ভোট দিয়েছে। এই জালভোট দেয়া লোকজন কারা এ প্রশ্নের উত্তর এখনও মিলেনি।

 

 

অপরদিকে সিলেটে সাংগঠনিক কাঠামো দুর্বল থাকার কারণে কামরানের পরাজয় হয়েছে বলে গতকাল স্বীকার করেছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ। বলেন, এই দুর্বলতা ভোটকে প্রভাবিত করেছে। এ কারণে তারা সার্বিক বিষয়টি পর্যালোচনা করছেন। তিনি বলেন, ৭ হাজারের বেশি ভোট বাতিল হয়েছে। এই ভোট নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন তারা। আর সিলেটে সাংগঠনিক দুর্বলতার বিষয়টি মানতে নারাজ সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও কামরানের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক শফিকুর রহমান চৌধুরী। তিনি বলেছেন, সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে গভীর ষড়যন্ত্র হয়েছে। এই ষড়যন্ত্রের প্রভাব আগামীতে পড়বে। এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সবচেয়ে বেশি ঐক্যবদ্ধ ছিল বলে দাবি করেন তিনি। এদিকে- সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে গতকাল বিকাল ৫টায় কামরানের নির্বাচনী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছিল আওয়ামী লীগ। পরে অবশ্য সেটি বাতিল করা হয়েছে। সিলেট আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক জগলু চৌধুরী জানিয়েছেন, অনিবার্য কারণে এই সংবাদ সম্মেলনটি বাতিল করা হয়েছে।

Comments are closed.







পাঠক

Flag Counter



Developed By : ICT SYLHET

Developer : Ashraful Islam

Developer Email : programmerashraful@gmail.com

Developer Phone : +8801737963893

Developer Skype : ashraful.islam625

error: Content is protected !!