আপডেট ১ ঘন্টা আগে ঢাকা, ২৬শে মে, ২০১৯ ইং, ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৯শে রমযান, ১৪৪০ হিজরী

Breaking News
{"effect":"fade","fontstyle":"normal","autoplay":"true","timer":4000}

প্রচ্ছদ এক্সক্লুসিভ

Share Button

হ্নদয়ে আল আকসা ও অবহেলিত প্যালেস্টাইন, ঘুরে এলাম যেভাবে

| ০২:০৫, জানুয়ারি ৩, ২০১৯

সৈয়দ শাহ সেলিম আহমেদ ।

 

আল-আকসাঃপবিত্র বায়তুল মোকাদ্দাস। ৩৫ একর বিশিষ্ট আল আকসা মসজিদ কম্পাউন্ড বিশাল উচু ইমারত ঘেরা, একেবারে উচু থেকে ঢালে বেয়ে চলা সরু পথ- ভিতরে, ইট পাথরের তৈরি আকা বাকা পথ মাড়িয়ে মূল কম্পাউন্ডে যেতে হয়। যাত্রা পথে পথে কম্পাউন্ডের ভিতরের হরেক গেইটে ইসরাইলি সশস্র টহল পুলিশ যাদের হাতে একে ৪৭ সহ বুলেট প্রুফ পরিহিত রক্ষী, নিরাপত্তার নামে দাঁড়িয়ে আছে বন্দুক তাক করে। মসজিদ কম্পাউন্ডে আছে কোরআনে বর্ণিত ঐতিহাসিক জয়তুন গাছ-যার অনেক সীমাহীন উপকারিতা রয়েছে। আল্লাহপাক কোরআনে এই জয়তুন গাছের কসম খেয়েছেন।

No photo description available.

আল-আকসা মুসলমানদের প্রথম কেবলা ছিলো। আল হারাম আল শরীফ আবার জুইশদেরও মাউন্ট টেম্পল ও পবিত্র স্থান। আল আকসা জেরুজালেমের অধিকাংশ পবিত্র স্থান ঘিরে, যা নবী মুসা আলাইহিওয়াসাল্লামকে আল্লাহপাক পবিত্র স্থান দর্শনের ওয়াদা করেছিলেন এবং মাউন্ট নিবুতে সেটা সম্ভব হয়েছিলো। মাউন্ট নিবু জর্ডান ভ্যালি রিভার, ওয়েস্ট ব্যাংক আর জেরিকো সিটির সন্নিকটে।আবার নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে খুশী করার জন্য আল্লাহপাক মুসলমানদের কেবলা আল আকসা থেকে পরিবর্তন করে মক্কার আল হারাম শরীফের দিকে করে দেন।

 

এই আল-আকসা  কম্পাউন্ড এবং আল আকসা ডোম মসজিদ থেকেই নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মেরাজ করেছিলেন। এখানেই নবীজী সমগ্র নবী রসুল সাহাবী মোজাহিদদের ইমামতি করেছিলেন।এখান থেকে নবীজী উর্ধাকাশে গমণ করেছিলেন। এই আল আকসার নীচেই রয়েছে নবী সুলায়মান আলাইহি ওয়াসাল্লামের জিনের দ্বারা তৈরি পৃথিবীর সর্ববৃহত পাথরের পর পাথরের স্তর দ্বারা তৈরি মসজিদ। যার এক পাশে রয়েছে বিশ্ব সেরা ইসলামিক বইয়ের লাইব্রেরি।

Image may contain: 1 person, outdoor

এই আল আকসা মসজিদ কম্পাউন্ডের ডোম মসজিদ এর তিন রঙের পাথর বেহেশত থেকে আগত। মারওয়ান (র) এর মাতার আদেশে মারওয়ান ডোম মসজিদ এমনভাবে নির্মাণ করেছেন, যাতে নবীজীর মেরাজের পাথর শূন্যে অবিকল অবস্থায় রেখে বানিয়েছেন। এর রয়েছে চারটি উইন্ডো-চার মাজহাবের নিদর্শন। ১২ আরবী মাসের ১২টি স্তম্ভ। ৩ হাজার বর্গ স্কয়ার মিটারের তৈরি এই ডোম মসজিদ। মারওয়ানের নির্মাণের পর খলিফা ওমর ইবনুল খাত্তাব নবীজীর মেরাজের সময়ে সর্বশেষ পা যে পাথরে রেখে উর্ধাকাশে গিয়েছিলেন, সেই পাথরকে পবিত্র ও অবিকল রাখার জন্য ওমর ফারুক (রাঃ) বিশেষভাবে সংস্কার করে মেশক আম্বর দ্বারা পরিবেশিত করে দেন যা আজও বিদ্যমান অবিকল।

 

নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রত্যেক মুসলমান নর নারীর একবার হলেও আল আকসা মসজিদে যাওয়া উচিৎ। অথবা বাতি দেয়া(মানে অনুদান)।

Image may contain: people standing, sky and outdoor

আল-আকসা কম্পাউন্ডে ডোম মস্ক নামে খ্যাত, মসজিদের ভিতরেই নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মেরাজে যান, তখন যে পাথরের উপর সর্বশেষ পা রেখেছিলেন, সেই পাথর সংরক্ষিত অবিকল সেইভাবেই আছে। মেরাজের ডিপার্চারের সময়ে সেই পাথর নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পায়ের সাথে লেগে আকাশে উঠলে নবীজী তখন পাথরকে যে জায়গায় থামতে বলেছিলেন, পাথরটি আজও শূন্যে সেই জায়গায় অবিকল আছে। যেখানে পাথরের নিচে মুসল্লিরা নামায পড়েন।দোয়া দুরুদ করেন।

 

এখানে নবীজী যে পাথরের নীচে মেরাজে যাওয়ার আগে দাড়িয়েছিলেন, সেই পাথরের উপরের দিকে নবীজীর মাথা বরাবর মাথার সাইজে একেবারে সার্কেল হয়ে গিয়েছিল, যা আজও সেইভাবেই আছে। এই পাথরের নীচে দোয়া কবুলের বহু রেওয়াত রয়েছে।

Image may contain: 1 person, standing and outdoor

আল আকসা মসজিদ কম্পাউন্ডে নবীজীর মেরাজের সময়ে ইমামতির স্থানেও নামাযের ও দোয়ার অশেষ বরকত রয়েছে।

 

আল আকসা মসজিদ কম্পাউন্ডেই উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন মাওলানা আবুল কালাম ভ্রাতৃদ্বয়ের কবরে শায়িত আছেন।পাশেই শায়িত জর্ডানের বাদশা প্রয়াত হোসেন। অনেকের অজানা থাকায় সেখানে কেউ জিয়ারতে খুব একটা যাননা, যেমন যাননা কিং হোসেনের কবরে, যদিও সেই কবরে বেশ শান শওকত রয়েছে।

Image may contain: 1 person, standing

আল আকসা মসজিদের গ্র্যান্ড মুফতী ও ইমাম আলী ইয়াকুব আব্বাসী রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সরাসরি বংশধর ও গোত্রের। তিনি রাসূলের আত্মীয় মোফাসসিরে কোরআন আব্দুল্লাহর চাচাতো ভাই।

 

আল আকসা মসজিদ রক্ষার জন্য যুগে যুগে অসংখ্য অগণিত, লাখো সাহাবী ও মুসলমান শহীদ হয়েছেন কাফেরদের হাতে। অসংখ্যবার আল আকসা মসজিদ কাফেররা গুড়িয়েও দিয়েছিলো। বার বার এই মসজিদ পূণনির্মাণ করা হয়েছে। মুসলমানদের বীর যোদ্ধা ও খ্যাতনামা সমর নায়ক সালাহ উদ্দীন আঈয়ূবীর বীরত্ব গাথা অভিযানের ফলে কাফেররা বিনা বাধায় আত্ম সমর্পণের মাধ্যমে সালাহ উদ্দীন আঈয়ূবী আল আকসা পূণরুদ্ধার করেন। আল আকসা কম্পাউন্ডেই বিবি মরিয়মের জন্মস্থান এবং লাখো  নবী ও সাহাবীর কবর রয়েছে।

Image may contain: 5 people, people smiling, people standing

১৯৬৭ সালের পর থেকে ইসরাইল জেরুজালেমের অধিকাংশ অঞ্চল ঘিরে আল আকসা দখলে নিলে আজও আল আকসা ইসরাইল কর্তৃক শাসিত এবং তাদের নিরাপত্তা চৌকি পেরিয়েই মসজিদে যেতে হয়। প্যালেস্টাইনের জনগন ও শিশুদের এবং মসজিদ কম্পাউন্ডের ভিতরে মাদ্রাসা ও মক্তব ও স্কুলে প্যালেস্টাইনীদের ইসরাইলে নিরাপত্তা বাহিনীর তল্লাশি মাড়িয়েই যেতে হয়। এহেনঅবস্থায়ও কখনও কখনও ছুরিকাহতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুলি ও তল্লাশি এবং মারামারি শুরু হয়ে যায়।

 

মসজিদ কম্পাউন্ডে ছোট ছোট প্যালেস্টাইনি দোকান পসরা সাজিয়ে বসলেও আশে পাশেই নারী ও শিশুদের ভিক্ষার হাত ও ঝুলি নিয়ে পর্যটকদের সামনে যখন হাত পাতে, তখন মুসলমান মাত্রই হ্নদয় কান্নার রোল বেজে উঠে। নারী শিশুদের অর্থের জন্য নিজ দেশে ভিক্ষার হাত পাতা- আল্লাহর অপরিসীম রহমতের নীচে মানবতার নিষ্টুর পরিহাস।

Image may contain: 5 people, including সেলিমের খবর and Kalam Choudhury, people standing

জেরুজালেমের জীবন যাত্রা পুরান ঢাকার ন্যায় বলা যায়। তবে জীবন মান  খুব অতিরিক্ত। দ্রব্য মূল্যের উর্ধগতি মাত্রাতিরিক্ত। বিশ্বের অন্য যেকোন সিটির তুলনায় সীমাহীন উর্ধগতি। ইসরাইলি সেকল একমাত্র মুদ্রা ব্যবস্থা। সীমিত আকারে ইউএস ডলার বেচা কেনা চলে।প্যালেস্টাইনের নিজস্ব কোন মুদ্রা  নেই, নেই নিজস্ব কোন ব্যাংক ব্যবস্থা। যদি নিজস্ব মুদ্রা ও ব্যাংক থাকতো-প্যালেস্টাইন হয়তো স্বাধীনতার পথে আরো একধাপ এগিয়ে যেতে পারতো। কিন্তু মাহমুদ আব্বাস ও অন্যরা এদিকে কোন খেয়াল আছে বলে প্যালেস্টাইন ঘুরে মনে হয়নি। আল আকসার আধুনিকায়ন, আধুনিক অযু খানার ব্যবস্থা, প্রচন্ড ঠান্ডা আর বৃষ্টির সময়ে পর্যাপ্ত নিরাপদ ও হিটিং সিস্টেমের কোন ব্যবস্থাই নেই, যা শিশু ও বয়স্কদের জন্য অনেক কষ্টের কারণ। প্যালেস্টাইন অথরিটি সারা বিশ্ব থেকে অনেক ডোনেশন পেলেও এদিকে সংস্কারের কোন খেয়াল আছে বলে মনে হয়নি, যদিও ইসরাইলিদের দ্বারা তারা দৌড়ের উপর রয়েছে।লন্ডন থেকে আল আকসার নামে নানা সময়ে যে সব চ্যারিটি তোলা হয়, তার কোন হদীসও খুজে পেলামনা।

Image may contain: 3 people, people smiling, people sitting and beard

আল আকসা মসজিদের ভিতরে রয়েছে ঢাকার ন্যায় দান বাক্স। আপনি চাইলে দান করতে পারেন, সাদাকা, সাহায্য দিতে পারেন। এর বাইরে রয়েছে অফিস। এই দুই ব্যবস্থার বাইরে বিকল্প পথে দান, অনুদান, সাহায্য আদৌ মসজিদের কাছে যায় কিনা সন্দেহ। যদিও অনেক নানান লোক রয়েছে অনুদান নেয়ার জন্য, ঘুর ঘুর করছে।

 

আল আকসা মসজিদের ভিতরে আপনি নিরাপদ এবং নির্বিঘ্নে এবাদত বন্দেগি করতে পারেন। কোরআন তেলাওয়াত করতে পারেন নিরাপদে। এবাদত ও দোয়া করতে পারেন ওমর ফারুক(রাঃ), মেহরাবে জাকারিয়া আলাইহি ওয়াসাল্লাম, সুলাইমান আলাইহিওয়াসাল্লাম সহ অসংখ্য অগণিত নবী রাসূলদের মেহরাবে। বোরাকী মসজিদও এখানেই অবস্থিত।

Image may contain: সেলিমের খবর, sitting

আল আকসা মসজিদ থেকে এহরাম বেধে হারাম শরীফে উমরা করার জন্য রওয়ানা হলে বরকত ও ফজিলত বেশী। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তাতে পেছনের ও সামনের সব গুণাহ মাফ হয়ে যায়। তাছাড়াও, আল আকসা মসজিদে প্রতি রাকায়াত নামাযের ফজিলত হাজার রাকায়াতের সমতুল্য। কারো কারো বর্ণনায়, ২৭, কারো বর্ণনায় ৫০ হাজার।

 

প্যালেস্টাইনের এই আল আকসা কম্পাউন্ড থেকে বেরিয়ে কিছু দূরে বিশ্বের ১০ হাজার বছরের পুরাতন শহর জেরিকো সিটিতে গেলে সেখানে ভুমি থেকে একেবারে নীচের লেভেলে ক্রমেই সরু মিহি পথ পাহাড়ের আকা বাকা ঢাল বেয়ে বয়ে চলেছে। যেখানে শায়িত আছেন হযরত ইব্রাহিম আলাইহি ওয়াসাল্লাম, হযরত ইসহাক আলাইহি ওয়াসাল্লাম, হযরত সারা ও হযরত রিফিকা সহ হযরত ইউনূস আলাইহি ওয়াসাল্লাম, হযরত মুসা আলাইহি ওয়াসাল্লাম, হযরত ইউসুফ আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাকাম বসত বাড়ি। জেরিকো সিটি থেকে বেথেলহামে জন্মস্থান রয়েছে হযরত ইসা আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও মরিয়ম আলাইহি ওয়াসাল্লামের বসত বাড়ি।

Image may contain: 1 person, outdoor

জেরুজালেম ও আল আকসা ঘিরেই পাহাড়ের ঢালু পদদেশে ওয়েস্ট ব্যাংক, নাবলুস সহ প্যালেস্টাইনি বসতী আর ইসরাইলি গড়ে উঠা সদ্য বসতী। চাকচিক্যময় দালানের পাশেই প্যালেস্টাইনের বহু পুরনো প্রাচীন অট্রালিকার ধংসাবশেষ মিশ্রিত আদি ও অকৃত্রিম ইট পাথরের ঘর বাড়ি ও দোকান পাট। পাহাড় আর পাদদেশ, উচু নীচু, ঢাল বেয়ে বেয়ে প্রকৃতি এমন স্তরে স্তরে বসত বাড়ি সাজিয়েছে, যা কেবল গল্প সিনেমায় মানায়, বাস্তবে প্যালেন্টাইনের জীবন যাপণ প্রণালি না দেখলে বিশ্বাসই হয়না।

 

কিং হোসেন ব্রিজ হয়ে অ্যালেনবি বর্ডার কিংবা তেল আবিব এয়ারপোর্ট হয়ে যেভাবেই আপনি জেরুজালেম প্রবেশ করুননা কেন, আপনাকে নিরাপত্তার মুখোমুখি হতে হবে। বয়স ৪০ এর নীচে হলে সিকিউরিটি চেক একটু বেশীও বলা যায়। কোন ভাবে যদি দান, অনুদান, চ্যারিটি কিংবা ইসলামিক কোন সংগঠণের অথবা প্যালেস্টাইনি কারও সংশ্রব পাওয়া যায়, তাহলে আপনার বৈধ পাসপোর্ট ভিসা যাই থাকুক ইসরাইলি সিকিউরিটি চেক কঠিণভাবে মোকাবেলা করতে হবে। তেলআবিব এয়ারপোর্টে চার স্তরের সিকিউরিটি চেক পেরিয়েই বিমানে উঠতে হবে। কিং হোসেন ব্রিজেও সিকিউরিটি চেক তুলনামূলকভাবে কম হলেও অপেক্ষাকৃত তরুণ এবং লম্বা দাড়িওয়ালাদের(২০ থেকে ৪০ এর নীচের বয়সীদের) একটু বিড়ম্বনাই বলা যায়। ইন্টারভিউ ফেস করতেই হবে।এর বাইরে পর্যটকদের জন্য ইসরাইল কোন বাঁধা হয়ে দাড়ায়নি। কখনো কোন তল্লাশি করেনা। অ্যালেনবি বর্ডার ও তেলআবিবে ইসরাইলি ভুমিতে আমরা প্রকাশ্যে জামায়াতবদ্ধভাবে নামায আদায় করেছি কোন প্রকারের বাধা বিপত্তি ছাড়াই। অযুও করেছি বাধাহীনভাবে সারিবদ্ধভাবে।

Image may contain: 4 people, including সেলিমের খবর, people standing and outdoor

আল আকসা মসজিদ সহ মসজিদে সুলেমানি, মেরাজুন নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সহ পবিত্র স্থান সমূহে আপনি যখন প্রবেশ করবেন, এবাদত করবেন, বিশ্বাস করুন চোখের পানি ধরে রাখতে পারবেননা। মন প্রাণ আল্লাহর আনুগত্যে নিবিষ্ট হয়ে যায় আপনা আপনিই। এমন সময় যখন নিরীহ প্যালেস্টাইনি শিশু অর্থের জন্য আপনার সামনে এসে দাঁড়ায়, তখন কান্নার পাহাড় বুকে চেপে ধরে।

 

৩রা জানুয়ারি ২০১৯ , লন্ডন ।

salim932@googlemail.com

 

 

 

Comments are closed.







পাঠক

Flag Counter



Developed By : ICT SYLHET

Developer : Ashraful Islam

Developer Email : programmerashraful@gmail.com

Developer Phone : +8801737963893

Developer Skype : ashraful.islam625

error: Content is protected !!