আপডেট ২২ ঘন্টা আগে ঢাকা, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১৩ই জমাদিউস-সানি, ১৪৪০ হিজরী

Breaking News
{"effect":"fade","fontstyle":"normal","autoplay":"true","timer":4000}

প্রচ্ছদ অগ্রযাত্রা

Share Button

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের ভারত যাত্রা ‘রাজনৈতিক’ সফরে রূপ নিচ্ছে

| ২১:০৪, ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১৯

কূটনৈতিক রিপোর্টার | ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, সোমবার-সৌহার্দ্য বা পরিচিতিমূলক বলা হলেও কার্যত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের ভারত যাত্রা ‘রাজনৈতিক’ সফরে রূপ নিচ্ছে। নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম বিদেশ সফরে মন্ত্রী আগামী বুধবার দিল্লি যাচ্ছেন। ৩ দিনের ওই সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রণব মুখার্জির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি। বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের আমন্ত্রণে হচ্ছে বাংলাদেশের নয়া পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দিল্লি সফর। সেখানে হোস্ট সুষমার নেতৃত্বাধীন ভারতীয় প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা ছাড়াও দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর একান্ত বৈঠক হবে।

কূটনৈতিক   সূত্রগুলো বলছে, ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী ভারতের লোকসভা নির্বাচনের আর ক’মাস বাকি। ওই সময়ে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ‘স্পর্শকাতর’ ইস্যুগুলো বিশেষ করে যা দুই দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ সেগুলো নিয়ে হয়তো দুই মন্ত্রী একান্তে কথা বলতে চাইছেন। আর এ জন্য তাদের এমন বৈঠকের আয়োজন, যেখানে তৃতীয় কারও উপস্থিতির কোনো সুযোগ নেই।

Image result for dr a k momen

সূত্র মতে, মোমেন-সুষমা বৈঠকটি আধঘণ্টার বেশি সময় স্থায়ী হতে পারে। সেভাবেই খসড়া সূচি প্রস্তাব করা হয়েছে। সূত্র এ-ও বলছে, দুই মন্ত্রীর বৈঠক শেষে বিভিন্ন বিষয়ে ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে সমঝোতা সইয়েরও প্রস্তাব রয়েছে। তবে কোনো পক্ষই ওই বৈঠক এবং প্রস্তাবিত সমঝোতাগুলোর বিষয়ে আগাম কিছু বলতে চাইছে না। এ নিয়ে আলাপে ঢাকার দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা  বলেন, সব বিষয় এখনই বলতে পারছি না বা বলা সমীচীন মনে করছি না।

এক প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা বলেন, খসড়ায় অনেক কিছুই থাকে, সফরের আগ পর্যন্ত এতে সংযোজন-বিয়োজন চলতে থাকে। তবে সফরটি যে ‘রাজনৈতিক’ সফর হচ্ছে এবং এটি যে গুরুত্বপূর্ণ তাই বোঝানোর চেষ্টা করেন ওই কর্মকর্তা। কূটনৈতিক সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য এবং ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা মতে, মন্ত্রী এবারের সফরে তিস্তার মতো কোনো জটিল ইস্যুতে বড় পরিসরে আলোচনা হবে না। কারণ হিসেবে তারা যেটা বলছেন তা হলো লোকসভা নির্বাচনের আগে হয়তো মোদি সরকার কোনো কমিটমেন্টে যেতে চাইবে না। যা নাকি তাদের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে! ফলে সুষমা স্বরাজের সঙ্গে জয়েন্ট কনসালটেটিভ কমিশন বা জেসিস’র বৈঠকের যে এজেন্ডা নির্ধারিত হচ্ছে, যে বৈঠকে প্রতিটি পক্ষের ডজনের ওপর প্রতিনিধি উপস্থিত থাকছেন সেখানে ‘তিস্তা’ রাখা হয়নি। তবে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে আগামীর পথচলার সহায়ক হিসেবে ক্লোজ ডোর বা একান্ত বৈঠকে এ নিয়ে কথা হতে পারে। সূত্র মতে, বুধবার মধ্যরাতে মন্ত্রী মোমেন দিল্লি পৌঁছাচ্ছেন। তার সফরের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে বৃহস্পতিবার (৭ই ফেব্রুয়ারি) থেকে।

দিনের প্রথমার্ধে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি। ওই দিনে তার আরো কর্মসূচি রয়েছে। রাতে তার সম্মানে ভারতের গৃহায়ন মন্ত্রী একটি ডিনার হোস্ট করছেন। পরদিন (৮ই ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত সফরসূচিতে কাটাবেন মোমেন। প্রথমার্ধে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সঙ্গে একান্ত বৈঠকের পর (অভিন্ন ভেন্যুতে) দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর যৌথ নেতৃত্বাধীন দ্বিপক্ষীয় আলোচনার সর্বোচ্চ ফোরাম জেসিসি’র ৫ম বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। আনুষ্ঠানিক ওই আলোচনায় যোগাযোগ-কানেকটিভিটি, নিরাপত্তা, পানি, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ দুই দেশের সম্পর্কের সব বিষয় নিয়েই কমবেশি কথা হবে। ২০১৭ সালে ঢাকায় সর্বশেষ জেসিস বৈঠক হয়েছিল। সেই বৈঠকে নেতৃত্ব দিতে ঢাকায় এসেছিলেন দেশটির বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। আর বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।

 

উল্লেখ্য, জেসিসি বৈঠক এবং ওই দিনের সরকারি ও বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মসূচি শেষে রাতে ভারতের প্রথম বাঙালি প্রেসিডেন্ট (সদ্য সাবেক) ভারতরত্ন প্রণব মুখার্জির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে তার বাসভবনে যাবেন তিনি। সেই সাক্ষাতের মধ্য দিয়েই সফরের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শেষ হবে। পরদিন ৯ই ফেব্রুয়ারি মন্ত্রী ঢাকা ফিরবেন।

Comments are closed.







পাঠক

Flag Counter



Developed By : ICT SYLHET

Developer : Ashraful Islam

Developer Email : programmerashraful@gmail.com

Developer Phone : +8801737963893

Developer Skype : ashraful.islam625

error: Content is protected !!