শামীমার ব্রিটেনে ফিরে আসার অধিকার নেইঃপিতা আহমদ আলী

প্রকাশিত: ১০:১১ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১৯ | আপডেট: ১০:১১:পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১৯

ডেইলি মেইল সংবাদ- সাজিদ জাভিদের সঙ্গে একমত পোষণ করলেন আইএসে যোগ দেয়া শামীমা বেগমের পিতা আহমদ আলী (৬০)। তার কন্যা শামীমার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন হোম সেক্রেটারি। তার সঙ্গে একমত পোষণ করে আহমেদ আলী বলেছেন, তিনি সরকারের পক্ষে আছেন। কারণ, তার জিহাদী মেয়ে ২০১৫ সালে বৃটেন থেকে পালিয়ে সিরিয়ায় যেয়ে ডাচ নাগরিক ও আইএস যোদ্ধা ইয়াগো রিডিজককে বিয়ে করার জন্য কোনো অনুশোচনা দেখায় নি।

আহমদ আলী মেইল অন সানডে’কে বলেন, আমি জানি ব্রিটিশ সরকার তাকে ফেরত আনতে চায় না। তাতে আমার কোনো সমস্যা নেই। আমি জানি সে সেখানে আটকা পড়ে আছে। এমনটা হয়েছে, সে যে কাজ করেছে তার জন্য।

Ahmed Ali, the father of Shamima Begum, outside his house in the village of Dairai, Sunam Gonj district, in the greater Sylhet region of Bangladesh. Mr Ali has said he backs Home Secretary Sajid Javid’s decision to strip his daughter of her British citizenship

আহমদ আলী আরো বলেন, আমি বলবো না (ব্রিটেনে তার নাগরিকত্ব কেড়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত) ঠিক না ভুল। তবে যদি দেশের আইন বলে, তার নাগরিকত্ব বাতিল করা যথার্থ তাহলে আমি তাতে রাজি আছি।

উল্লেখ্য, আহমদ আলী ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ থেকে বৃটেনে যান। সেখানে তিনি টেইলারিং শুরু করেন। বর্তমানে অবসরে আছেন। তিনি ব্রিটেনে যাওয়ার সাত বছর পরে বিয়ে করেন আসমাকে। তিনিই শামীমার মা। তারা বসতি গড়েছেন পূর্ব লন্ডনের বেথনাল গ্রিনে। তাদের রয়েছে চারটি মেয়ে। তার মধ্যে সবচেয়ে ছোট শামীমা।

আহমদ আলী ১৯৯০ এর দশকে ঘন ঘন বাংলাদেশ সফর করেন। এ সময় তিনি পরিবার থেকে দূরে থেকে অনেকটা সময় কাটান। দ্বিতীয় বিয়ে করেন। শামীমার সঙ্গে তার সর্বশেষ দেখা হয় ২০১৫ সালের মার্চে। তখন তিনি লন্ডন সফরে গিয়েছিলেন। এরপরেই শামীমা সিরিয়ায় পালিয়ে যান।

Shamima Begum's father says he is on the government's side

আহমদ আলী বলেছেন, তিনি কখনো তার মেয়ের মধ্যে এমন কোনো লক্ষণ দেখতে পান নি, যা দেখে মনে হতে পারে সে উগ্রবাদী হয়ে উঠছে। এমনকি তাকে দেখে অন্য রকম কিছুই মনে হয় নি। তার দাবি, শামীমা বরং ইসলামিক ধ্যানধারণায় নেই বলেই মনে হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, যদি শামীমা অন্ততপক্ষে স্বীকার করতো যে, সে ভুল করেছে, তবে তার জন্য আমার দুঃখবোধ হতো। অন্যরাও তার জন্য দুঃখবোধ করতেন। কিন্তু শামীমা তার ভুল মেনে নেয় নি।