বিশ্বনাথের অলংকারী-পৌদনাপুর সরকারী প্রা: বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে শিক্ষা অফিসার বরাবরে স্মারকলিপি

প্রকাশিত: ৬:২৪ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ১২, ২০১৯ | আপডেট: ৯:২০:পূর্বাহ্ণ, মার্চ ১২, ২০১৯

বিশ্বনাথের অলংকারী-পৌদনাপুর সরকারী প্রা: বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে শিক্ষা অফিসার বরাবরে স্মারকলিপি

সিলেট অফিস: বিশ্বনাথের অলংকারী পৌদনাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন অলংকারী ইউনিয়নের অলংকারী, পূর্ব অলংকারী, পশ্চিম অলংকারী ও পৌদনাপুর গ্রামবাসী। ১১ মার্চ সোমবার বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ মতছির আলীর নেতৃতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মহি উদ্দিনের হাতে এ স্মারকলিপি প্রদান করেন এলাকাবাসী। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সদস্যবৃন্ধ, স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বারসহ অলংকারী, পূর্ব অলংকারী, পশ্চিম অলংকারী ও পৌদনাপুর গ্রামের ৪৩ জনের স্বাক্ষর করা স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয় ‘আমরা আবেদনকারী বিশ্বনাথ উপজেলার ৩নং অলংকারী ইউনিয়নের অলংকারী, পূর্ব অলংকারী, পশ্চিম অলংকারী ও পৌদনাপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা ও নাগরিক। আমাদের অলংকারী পৌদনাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ইসমত আরা চৌধুরী বিগত কয়েক বছর যাবত বিদ্যালয়ে নিয়মিত দেরী করে আসছেন এবং বিদ্যালয় ছুটি হওয়ার আগেই চলে যান। তিনি বিদ্যালয়ে নিয়মিত কোন ক্লাস নেন না। এজন্য আমাদের বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকারাও অনেক সময় প্রধান শিক্ষিকার দুর্বলতার সুযোগ নিতে দেখা যায়। বিদ্যালয়ের লেখাপড়ার মান দিন দিন খারাপ হচ্ছে দেখে এলাকার সচেতন অভিভাবকরা বার বার প্রধান শিক্ষিকাকে মৌখিকভাবে অনুরোধ করলেও তিনি সিলেট শহরে তার বাসায় সকাল দশটায় ঔষধ খাবার পরে সিলেট থেকে রওয়ানা দিতে হয় বলে জানান এবং বিষয়টি সকলকে মেনে নিতে অনুরোধ জানান। বিদ্যালয় পরিচালনায় প্রধান শিক্ষিকার চরম গাফিলতি প্রত্যক্ষ করে অতীষ্ঠ হয়ে এলাকার অনেক সচেতন অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের বিশ্বনাথ, শিমুলতলা, টেংরা, পনাউল্লাবাজারসহ বিভিন্ন প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াতে বাধ্য হচ্ছেন। বিষয়টি আপনাকে আমরা মৌখিকভাবেও অবহিত করেছি।’

স্মারকলিপিতে তাদের সন্তানদের ভবিষ্যত বিবেচনা করে বিদ্যালয়ের উক্ত শিক্ষিকাকে দ্রুত অন্যত্র বদলী করে উক্ত পদে একজন উপযুক্ত প্রধান শিক্ষক প্রেরণ করে বিদ্যালয়ে লেখাপড়ার সুষ্টু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে তারা জোর দাবী জানান।

এ ব্যাপারে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ মতছির আলী জানান, বিগত প্রায় আট বছর যাবত আমরা উক্ত শিক্ষিকার বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম সহ্য করে আসছি। আমরা মৌখিকভাবে উপজেলা শিক্ষা অফিসারকেও কয়েকবার বিষয়টি অবহিত করেছি। এলাকাবাসী আমাকে বার বার চাপ দিচ্ছেন। বাড়ীর পার্শ্বে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকাবস্থায় আমাদের এলাকার ছাত্র ছাত্রীদেরকে কেন তাদের অভিভাবকরা দুর দুরান্তের বিভিন্ন প্রাইভেট বিদ্যালয়ে ঝুঁকি নিয়ে পাঠান, এর সদুত্তর আমি দিতে পারিনা।