আপডেট ৪ ঘন্টা আগে ঢাকা, ২৬শে মে, ২০১৯ ইং, ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২০শে রমযান, ১৪৪০ হিজরী

Breaking News
{"effect":"fade","fontstyle":"normal","autoplay":"true","timer":4000}

প্রচ্ছদ অর্থ-বণিজ্য

Share Button

প্রত্যেক ব্রিটিশ ৩০০ পাউন্ড করে মাস্টার কার্ড ক্ষতিপূরণ পাবেন

| ২০:২৭, এপ্রিল ১৬, ২০১৯

কোর্ট অব অ্যাপিল । মেরিকস । সৈয়দ শাহ সেলিম আহমেদ। ক্রেডিট কার্ড জায়ান্ট মাস্টার কার্ডের অনিয়ম এবং নিয়ম বহির্ভুত কর্মকান্ডের প্রেক্ষিতে সাবেক ফাইন্যান্সিয়াল ওমবাডসম্যান বস ওয়াল্টার মেরিকস এর দায়েরকৃত আইনি লড়াইয়ের রায় আজ দিয়েছেন আদালত। এতে পেমেন্ট দেয়ার বিপরীতে ১৪ বিলিয়ন পাউন্ড ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যার ফলে ব্রিটেনের প্রায় প্রত্যেক এডাল্ট, যাদের মাস্টার কার্ড ছিলো, এমনকি যাদের ছিলোওনা, তাদের প্রত্যেকে প্রায় ৩০০ পাউন্ড করে এই উইন্ডফল এমাউন্ট পাবেন।

The legal action is being brought against the card giant by Former financial ombudsman Walter Merricks (pictured)

(ওয়াল্টার মেরিকস)

কোর্ট অব অ্যাপিলের মতে, ১৯৯২ থেকে ২০০৮ সালের মধ্যে ১৬ বছর বয়সী বা অধিক যারা ব্রিটেনে অন্ততঃ তিন মাস থাকার প্রমাণ রয়েছে, তাদের প্রত্যেককেই এই মাস্টার কার্ড ক্ষতিপূরণ বাবদ সর্বোচ্চ ৩০০ পাউন্ড হিসেবে দিবে। প্রায় ৪৬.২ মিলিয়ন ব্রিটেনবাসি এই ক্ষতিপূরণ পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন বা ক্ষতিপূরণ পাবেন।

 

মাস্টার কার্ড ইউরোপিয়ান কমিশনের ২০০৭ সালের  নিয়ম ভঙ্গ করে ইউকের কনজ্যুমারদের কাছ থেকে উচ্চ মাত্রায় দাম হাকিয়ে ঠকিয়েছে বলে প্রমাণিত হয়েছে।

 

কনজ্যুমারদের অধিকার সংরক্ষণ আইনি সুরক্ষা যা ২০১৫ সালে করা হয়, তারপর থেকে এই প্রথম কনজ্যুমারদের পক্ষে এমন সর্বোচ্চ দাবি আদায়ের রায় আসলো।

 

মেরিকসের দায়েরকৃত প্রস্তাবিত এই মামলা ২০১৭ সালে স্পেশাল ট্র্যাইব্যুনালে আসলে শুরুতে কালেকটিভ প্রসিডিংস হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয় বলে অভিহিত করা হয়েছিলো।

 

কিন্তু লন্ডনের সিনিয়র জাজ আজ কম্পিটিশান অ্যাপিল ট্র্যাইব্যুনালের রায়ের ভুল ধরে এটাকে সামনে চলার পথে নিয়ে আসেন। যা আজ আদালতের রায়ে যুগান্তকারি এক নির্দেশনা এলো।

 

লর্ড জাস্টিস প্যাটার্ন, লর্ড জাস্টিস হাম্বলেন, লর্ড জাস্টিস কোলসন  এর সমন্বয়ে গঠিত ট্র্যাইব্যুনাল ব্রিটিশ লিগাল হিস্টরিতে এক নতুন রায় দিয়ে কনজ্যুমারদের স্বার্থ রক্ষায় মাস্টার কার্ড দ্বারা মিস ডাইরেকশন করে ভোক্তাদের ক্ষতি পূরণে ডিভিডেন্ড তাদের মধ্যে ভাগ করে দেয়ার রায় দিলেন।

 

মেরিকস আজকের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, ১২ বছর হলো মাস্টারকার্ড আইন ভঙ্গের কথা স্বীকার করেছে, অতিরিক্ত ফি ভোক্তাদের কাছ থেকে আদায় করেছে-অথচ এই দীর্ঘ সময় লেগেছে এই অনিয়মের সুরাহা করতে।

 

মেরিকসের সলিসিটর ফার্ম  কুইন ইমান্যুয়েল আরকার্ট স্যুলিভানের সলিসিটর বরিস  ব্রনফেন্ট্রিনকার এই ল্যান্ডমার্ক রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

 

তবে মাস্টারকার্ড এখনো এই অর্থ বা ক্ষতিপূরণ পরিশোধে দ্বিমত পোষণ করে জানিয়েছে, তারা আরো উচ্চতর আদালতে যাবে এর বিরিদ্ধে অ্যাপিলের জন্য।

 

How has the Consumer Rights Act 2015 changed class action suits?

The Consumer Rights Act, which came into effect in the UK in October 2015, has made it much easier for groups of consumers, as well as organisations, to seek compensation from companies.

For instance, consumers now have up to six years to bring a case instead of two.

The legislation also makes it easier for class action suits to be brought together after introducing ‘opt-out’ actions.

This means all those affected by the case are automatically members of the ‘class’ which is suing.

Source: International Bar Association.

 

 

Comments are closed.







পাঠক

Flag Counter



Developed By : ICT SYLHET

Developer : Ashraful Islam

Developer Email : programmerashraful@gmail.com

Developer Phone : +8801737963893

Developer Skype : ashraful.islam625

error: Content is protected !!