আপডেট ১ ঘন্টা আগে ঢাকা, ১৭ই জুলাই, ২০১৯ ইং, ২রা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১২ই জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী

Breaking News
{"effect":"fade","fontstyle":"normal","autoplay":"true","timer":4000}

প্রচ্ছদ প্রধান প্রতিবেদন

Share Button

জনসন নেতা নির্বাচিত হলেও প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব নাও পেতে পারেনঃসংশয় দুই সংবিধান বিশেষজ্ঞের

| ২৩:৩৫, জুন ৩০, ২০১৯

সৈয়দ শাহ সেলিম আহমেদ। লন্ডন টাইমস। ০১ জুলাই, ২০১৯। কনজারভেটিভ পার্টির এমপি এবং দলীয় সমর্থনের জনপ্রিয়তায় সব চাইতে এগিয়ে আছেন বরিস জনসন। জনপ্রিয়তার মাপকাঠিতে  জনসন সব দিক দিয়ে এগিয়ে। জনসনের বিপরীতে জেরেমি হান্ট- দলীয় নেতা কর্মী এবং সদস্যরা সেক্ষেত্রে বরিস জনসনের দিকেই সমর্থন বেশী। কেউ কেউ ধরেই নিয়েছেন, বরিস জনসনই  ব্রিটেনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন।

Boris Johnson holds his head in his hands and looks at the floor

ব্রেক্সিট ডেলিভারি ইস্যুতে বরিস জনসন ডু অর ডাই নীতিতে অটল। ব্রেক্সিট পন্থী আর বাইরে থাকা নাইজেল ফারাজের ব্রেক্সিট পার্টি বরিস জনসনের এই নীতিতে অনেকটাই আশাবাদী ব্রেক্সিট হবেই। জনসন বলেছেন, চুক্তি করার জন্যই কোন চুক্তি ছাড়া ব্রেক্সিট প্রয়োজনে করবেন- এটাই নাকি জনসনের মতে, বেস্ট ব্রেক্সিট চুক্তি করার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে বলে মনে করেন।

কিন্তু রিমেইনর এবং জেরেমি হান্ট ও অন্যান্য এমপিরা চুক্তি ছাড়া ব্রেক্সিট কোনভাবেই চাননা। আর এখানেই বরিস জনসনের সাথে তার সমর্থক, বিরোধী সকলকে করেছে প্রশ্নবিদ্ধ। বলাবলি হচ্ছে, বরিস জনসনকে সমর্থন করেছেন, এমন টোরি এমপি, জনসনের চুক্তিছাড়া ব্রেক্সিট ইস্যুতে সমর্থন প্রত্যাহার করে নিতে পারেন। সর্বাধিক জনপ্রিয় দৈনিক গার্ডিয়ান প্রিন্ট ভার্সনে এমন আশংকা করে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। গার্ডিয়ানের মতে, এতে তার বিরোধী সমর্থক সবাই মিলে বরিস জনসনকে ডাউনিং ষ্ট্রীটে একেবারে ব্লক করে দিতে পারেন।

আর ইউনিভার্সিটি স্কুল অব লন্ডনের পলিটিক্যাল সাইন্সের কনস্টিটিউশন ইউনিটের দুই প্রফেসর অধ্যাপক রবার্ট হ্যাজেল এবং প্রফেসর  ম্যাগ রাসেল দুজনেই মনে করেন, বরিস জনসন নেতা নির্বাচিত হওয়ার পরেও ব্রিটেন সাংবিধানিক সংকটে পরতে পারে। এমপিরা সমর্থন প্রত্যাহার করে নিতে পারেন জনসনের উপর থেকে। তারা আগে পার্লামেন্টে বরিস জনসনকে কনফিডেন্স বা আস্থা ভোটের প্রমাণ চাইতে পারেন। লেবার ইতোমধ্যেই তা বলে আসছে, যদিও লেবারের পক্ষে সমর্থনের অভাবে সরকার গঠণের সক্ষমতা নেই। কনজারভেটিভের হাতে মাত্র ডিইউপি ৩ সদস্যের সমর্থন । আর এমন পরিস্থিতিতে রানি টেরেজা মেকে নতুন প্রধানমন্ত্রী অথবা বিকল্প নেতা নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত ব্রেক্সিটের পরবর্তী ধাপ চালিয়ে নেয়ার জন্য সরকার গঠণের আহবান করতে পারেন। পার্লামেন্টে আস্থা ভোট না পেলে টেরেজা মেও নতুন নেতার সরকার গঠণের ব্যাপারে রানিকে নোটিফাই করবেননা। এই দুই বিশেষজ্ঞ  সংবিধানের সংকট হিসেবেই দেখছেন। যা তাদের মতে শেষ পর্যন্ত সাধারণ নির্বাচনের দিকেই গড়াতে পারে-সে পর্যন্ত মের সরকারই থেকে যেতে পারে।

Jeremy Hunt arrives to speak at a hustings in Exeter on Friday. Conservative voters perceive his leadership campaign as organised and professional, but a fifth think it is boring, latest polling found.

এদিকে ব্যাকবরিস ক্যাম্পেইন টিম বরিসের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে খুব বাধা হিসেবে দেখছেননা। তাদের পরিচালিত জরিপে ৭১ শতাংশ সমর্থন-মনে করেন তিনি ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ব্রিটেনকে ইইউ থেকে বের করতে পারবেন। ৬১ শতাংশ মনে করেন সাধারণ নির্বাচনে তিনি করবিনকে পরাজিত করতে পারবেন।

অপরদিকে জেরেমি হান্ট ধীর লয়ে জনপ্রিয়তায় সামনে এগিয়ে আসছেন।

আগামীদিনের হাস্টিংসগুলোতে দুজনের ব্যবধান হয়তো আরো কিছুটা কাছাকাছি চলে আসতে পারে। তবে বরিস জনসন হাস্টিংসগুলোতে ব্রেক্সিট ডেলিভারি যেকরেই  হউক তিনি করবেন, এনএইচএস, শিক্ষা, এমপ্লয়ম্যান্ট, বেনিফিট ইত্যাদি কমন জনপ্রিয় ইস্যুতে তিনি কাজ করবেন এমন বক্তব্যে জনপ্রিয়তায় আরো এগিয়ে আছেন এখনো তিনি।

Comments are closed.







পাঠক

Flag Counter



Developed By : ICT SYLHET

Developer : Ashraful Islam

Developer Email : programmerashraful@gmail.com

Developer Phone : +8801737963893

Developer Skype : ashraful.islam625

error: Content is protected !!