টেকনাফ জাহাজপুরা রাস্তার মাঝেই দাঁড়িয়ে আছে গর্জন গাছ,এক যুগেও কাটা হয়নি

প্রকাশিত: 8:30 AM, August 24, 2019 | আপডেট: 8:48:AM, August 24, 2019

আজিজ উল্লাহ,টেকনাফঃ-

টেকনাফের বাহার ছড়া জাহাজপুরা এলজিডি সড়কের মাঝে প্রায় এক যুগ ধরে এইভাবে দাঁড়িয়েছে আছে কয়েকটি গর্জন গাছ। যার কারণে ঐ স্থানে প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটানা সংঘটিত হয়ে আসছে।রাস্তার ঠিক মাঝে দীর্ঘ সময় ধরে গর্জন গাছ দাঁড়িয়ে থাকলেও কাটার কোন অগ্রগতি নেই বরং রাস্তার মাঝখানে গাছ রেখে রাস্তা ঢালাই করার সময় গাছের চার দিকে ঢালাই করা হয়েছে।তারপরও গাছ কেটে ফেলার কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি এলজিডি ও বন কর্তৃপক্ষ।

ফলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকিসহ সড়কে জীবনাশের আশংকা রয়েছে।এই ব্যস্তময় রাস্তার মাঝখান থেকে গাছ না সরানোর কারণে যানবাহন চলাচলের অসুবিধা পোহাতে হচ্ছে চালকদের।গর্জন বাগানের উত্তর দিক থেকে প্রবেশ পথে দক্ষিণে শেষ প্রান্ত পর্যন্ত রাস্তার মাঝখানে প্রায় সাতটি বড় বড় গর্জন গাছ দাঁড়িয়ে আছে।রাস্তার মাঝখানে থেকে গাছ গুলি কেটে স্বাভাবিকভাবে যানচলাচলের ব্যবস্থা করা জরুরি বলে মনে করেন অনেক চালকসহ স্থানীয়রা।তাছাড়া জাহাজপুরা গর্জন বাগানকে পর্যটন শিল্পের অংশ হিসেবে ধরা হয়েছে এখানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা আসেন রাস্তার মাঝে গাছ থাকার কারণে নতুন নতুন আগত পর্যটরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যার পড়ছেন।

স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে ডাক্তার মোঃ রফিক নামের একজন স্থানীয় ব্যক্তি বলেন,জাহাজপুরা গর্জন বাগানে প্রায় সময় ডাকাতি হয়,সাথে রয়েছে বন হাতির অভয়ারণ্য।এক দিকে আঁকাবাকা রাস্তা এরই মাঝে রাস্তার মাঝখানেই গর্জন গাছ দাঁড়িয়ে আছে,গাছের কারণে রাতের আঁধারে ভালোমত গাড়ি চালাতে না পেরে অনেক সময় বন হাতির আক্রমণসহ ডাকাতির কবলে পড়ে সবকিছু হারাতে হয়েছে যাত্রীদের এমনো নজির রয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে রাস্তায় স্বাভাবিক যানচলাচলের জন্য রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা গাছ গুলি কেটে ফেলা জরুরি বলে মনে করেন।প্রয়োজনে রাস্তার মাঝখানে থাকা কয়েকটি গাছ কেটে অপশন দেওয়া যায় বলে অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি।

এই ব্যাপারে দায়িত্বরত রেঞ্জ অফিসার মইনুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ছাড়া রাস্তার মাঝে হলেও গাছ গুলো কাটার কোন ক্ষমতা তাদের কাছে নেই। এলজিডি রোড জাহাজপুরা বাগানের আরো পশ্চিমে ছিল বলেও জানান।রাস্তার মাঝে গাছ থাকার কারণে স্বাভাবিকভাবে যানচলাচলের যে অসুবিধা হচ্ছে তা স্বীকার করেন রেঞ্জ কর্মকর্তা।যদি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পাওয়া যায় তবু গাছ গুলি কাটার ব্যবস্থা হবে বলে জানান তিনি।