আপডেট ৩ ঘন্টা আগে ঢাকা, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং, ২রা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৭ই মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী

Breaking News
{"effect":"fade","fontstyle":"normal","autoplay":"true","timer":4000}

প্রচ্ছদ মুক্তমত

Share Button

আজ শহিদ জিয়া নেই বলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ঠেকে যাচ্ছে!

| ১৮:৩৪, আগস্ট ২৫, ২০১৯

আজ শহিদ জিয়া নেই বলেই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ঠেকে যাচ্ছে!

বাংলাদেশে রোহিঙ্গা সমস্যা আজ নতুন নয় রোহিঙ্গা সংকট ইতিহাসে কি বলে একটু জেনে নিই। মায়েনমার সরকার ২০১৬ সালের মত অকথ্য নির্যাতন করে ১৯৭৮ সালেও রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে ঠেলে পাঠালে দেশের তদানীন্তন প্রেসিডেন্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান মিয়ানমার সরকারকে বলেন,অনতিবিলম্বে মিয়ানমার থেকে চলে আসা রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতেই হবে।শুধু তা নয় প্রেসিডেন্ট জিয়া বার্মা সরকারকে হুমকি দিয়ে বলেন,যদি দ্বিপাক্ষিক আলোচনার ভিত্তিতে রোহিঙ্গাদের ফেরত না নেওয়া হয়, তাহলে বাংলাদেশ সরকার তাদের অস্ত্র সরবরাহ করতে বাধ্য হবে।ফলে জিয়াউর রহমানের এমন গর্জন ও হুমকিতে ১৯৭৮ সালে রোহিঙ্গা আসার চার দিনের মাথায় তখনকার সময়ের মিয়ানমার সরকারের প্রধান জেনারেল নে উইন রোহিঙ্গাদের নিজ উদ্যোগে ফিরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেন।প্রেসিডেন্ট নে উইন জিয়ার ঐ হুমকিতে ইতিবাচক সাড়া দিতে বাধ্য হয়েছিলেন।সাথে অপমানও বোধ করছিলেন তবু মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন জেনারেল উইন সময় মত বদলা নেওয়ার হয়তো সেই কারণে বাংলাদেশের কোন ক্ষতি করতে না পেরে। মাত্র চার বছর পর ১৯৮২ সালে নাগরিকত্ব আইন পাস করে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব বাতিল করে ছিলেন উইন সামরিক সরকার ।এই আইন দিয়ে রোহিঙ্গাদের রাষ্ট্রহীন করছিল জেনারেল উইন।

১৯৭৮ সালের সেই একই ঘটনা বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সময়ে ১৯৯২,৯৩ সালে রোহিঙ্গাদের আবার নির্যাতন বেড়ে গেলে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে রোহিঙ্গারা তখন সরকার জাতিসংঘসহ মিয়ানমারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ফলশ্রুত আলোচনা করে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে সক্ষম হয়ে ছিল বেগম খালেদা জিয়া সরকার যদিও সবাইকে ফেরত পাঠাতে পারেন নি। তখনও কিন্তু রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়টি এনজিও সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর অধীনে চলে যায়।২০১৯ সালের রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন ব্যর্থ হওয়ার নিষয়ে এনজিও সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর উষ্কানি আছে বলে মনে হয়।সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন কারণ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ঠেকাতে রোহিঙ্গাদের ৫ দফা কিন্তু তাদের নিজস্ব নেয় এইসব দফাতে এনজিওর ভূমিকা অবশ্যই রয়েছে।

আজকাল উখিয়া-টেকনাফে দূরদর্শী কোন নেতা নেই।আছে চাটুকার,আগামী ৫ বছর পর রোহিঙ্গা কক্সবাজারে নিজের স্বাধীনতা চাইলে,১৫-১৬ লাখ রোহিঙ্গা থেকে সাড়ে তিন হাজার রোহিঙ্গা ফেরত পাঠাতে পরপর দুবছর প্রত্যাবাসন করতে সমর্থন হয়নি ব্যার্থ হয়েছে এই কারণে পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ রোহিঙ্গা শরনার্থী বিষয়ক কমিশনারের পদত্যাগ করা দরকার ছিল।প্রায় ১৬ লাখ রোহিঙ্গা থেকে সাড়ে তিন হাজার রোহিঙ্গা পাঠাতে অসক্ষম হয়েছেন আপরনা।২লাখও পাঠাতে পারবেন না যেমন টা মনে হয় তাই আপাততে সরকারের হেডম দেখাতে আইওয়াশ করার জন্য হলেও এই সাড়ে তিন হাজার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন করা জরুরি ছিল।

আজিজ উল্লাহ শান্ত, ইতিহাস বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

Comments are closed.







পাঠক

Flag Counter

UserOnline



Developed By : ICT SYLHET

Developer : Ashraful Islam

Developer Email : programmerashraful@gmail.com

Developer Phone : +8801737963893

Developer Skype : ashraful.islam625

error: Content is protected !!