জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার ষড়যন্ত্র নস্যাৎ

প্রকাশিত: ১০:৫৯ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৩, ২০১৯ | আপডেট: ১০:৫৯:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৩, ২০১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, মুসলিম বিশ্ব।  ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র কুদস ফোর্সের প্রধান মেজর জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করা হয়েছে। ইহুদিবাদী ইসরাইল ও আরব গুপ্তচররা এই ষড়যন্ত্র করেছিল বলে আইআরজিসি’র গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান হোসেইন তায়েব জানিয়েছেন। তিনি আজ (বৃহস্পতিবার) তেহরানে আইআরজিসি’র কমান্ডারদের এক সমাবেশে এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গত মাসে দক্ষিণ ইরানের কেরমান প্রদেশে ইমাম হোসেন (আ.)’র শাহাদাৎ বার্ষিকীর শোকানুষ্ঠানে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে তাকে হত্যার ষড়যন্ত্র হয়েছিল। কিন্তু এর আগেই ষড়যন্ত্রকারীদের আটক করা সম্ভব হয়।

হোসেইন তায়েব আরও বলেছেন, হিব্রু-আরব ইনটেলিজেন্স সার্ভিসেসের সদস্যরা চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ইরানে প্রবেশ করে। তারা কেরমান প্রদেশে জেনারেল সোলাইমানি’র মরহুম বাবার হোসাইনিয়া বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পাশেই একটি জমি কিনে সেখানে থেকে সুড়ঙ্গ তৈরি করতে চেয়েছিল। পরে ওই সুড়ঙ্গ দিয়ে তারা ৩৫০ কেজি থেকে ৫০০ কেজি বিস্ফোরক হোসাইনিয়ার নিচে নিয়ে যেতে চেয়েছিল।

কাসেম সোলাইমানি (বামে) ও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

তারা ভেবেছিল প্রতি বছরের মতো এবারও যখন জেনারেল সোলাইমানি, ইমাম হোসেন (আ.)’র শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে তাসুয়া ও আশুরার অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তখন তারা বিস্ফোরণ ঘটাবে। কিন্তু এর আগেই ইরানের গোয়েন্দারা বিষয়টি বুঝতে সক্ষম হন এবং তারা আইআরজিসি’র প্রধানের নির্দেশে ইসরাইলি ও আরব গুপ্তচর নেটওয়ার্কের তিন সদস্যকে আটক করেন। তবে আটক ব্যক্তিদের ওপর অনেক দিন ধরেই আইআরজিসি নজর রেখেছিল।

আইআরজিসি’র গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান আরও বলেছেন, এসব সন্ত্রাসী প্রতিবেশী দেশগুলোতে ব্যয়বহুল প্রশিক্ষণের জন্য গিয়েছিল এবং তখন থেকেই আইআরজিসি তাদের ওপর নজর রেখেছিল।

সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএস বা দায়েশ বিরোধী অভিযানে সাফল্যসহ বিভিন্ন অঙ্গনে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য কাসেম সোলাইমানি বিশ্বের এক নম্বর জেনারেল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন