আপডেট ৫৩ min আগে ঢাকা, ১৬ই অক্টোবর, ২০১৯ ইং, ১লা কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৬ই সফর, ১৪৪১ হিজরী

Breaking News
{"effect":"fade","fontstyle":"normal","autoplay":"true","timer":4000}

প্রচ্ছদ জাতীয়

Share Button

কোষের অক্সিজেন প্রাপ্তির গবেষণায় ৩ বিজ্ঞানীর নোবেল

| ২২:০৬, অক্টোবর ৭, ২০১৯

প্রাণীর কোষ কীভাবে অক্সিজেনের সহজলভ্যতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়, সেই রহস্যের কিনারা করে এ বছর নোবেল পুরস্কার জিতলেন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের তিন বিজ্ঞানী।

তারা হলেন- উইলিয়াম জি. কেলিন জুনিয়র ও গ্রেগ এল সেমেনজা (যুক্তরাষ্ট্র) এবং স্যার পিটার জে. র‌্যাটক্লিফ (যুক্তরাজ্য)। সোমবার সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে এই তিন বিজ্ঞানীকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে ২০১৯ সালের নোবেল পুরস্কারজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

নোবেল কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়, এই তিন বিজ্ঞানী অক্সিজেনের স্তরগুলো কীভাবে শারীরিক ক্রিয়াকে প্রভাবিত করে, তা বোঝার ভিত্তি স্থাপন করেছেন। ফলে অ্যানিমিয়া, ক্যান্সারসহ বিভিন্ন জটিল রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের নতুন কৌশল আবিষ্কারের পথ প্রশস্ত হল।

কমিটি আরও জানায়, তিন বিজ্ঞানীই মূলত হাইপোক্সিয়া নিয়ে গবেষণা করছিলেন। হাইপোক্সিয়া এমন এক অবস্থা, যখন মানবদেহ কিংবা দেহের কোনো নির্দিষ্ট অঙ্গ বা অংশের কোষ পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায় না। এতে পুরো শরীর কিংবা নির্দিষ্ট অঙ্গ দুর্বল হয়ে পড়ে। গবেষকরা বের করেন যে অক্সিজেনের উপস্থিতিতে ওই কোষ কীভাবে সাড়া দেয় এবং তা গ্রহণ করে। নোবেল জুরি বলছে, তারা এমন একটি পর্যায় আবিষ্কার করেছেন, যা সব রোগের কেন্দ্রস্থল।

বিজ্ঞানী সেমেনজা ইপিও নামে পরিচিত একটি জিন নিয়ে গবেষণা করেছিলেন, যার মাধ্যমে দেহ আরও বেশি রক্তকণিকা তৈরি করে এবং নির্দিষ্ট ডিএনএ বিভাগগুলোকে পৃথক করে দেয়, যা কম অক্সিজেনের স্তরের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে সহায়তা করে। অন্যদিকে বিজ্ঞানী কেলিন আরেকটি জিন চিহ্নিত করেছিলেন, যা জেনেটিক ডিজঅর্ডারে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে উপস্থিত থাকে। আর তা তাদের ভয়াবহ ক্যান্সারের ঝুঁকিতে ফেলে দেয়।

নোবেল কমিটি জানায়, এই তিন বিজ্ঞানী ৯০ লাখ সুইডিশ ক্রোনার ভাগাভাগি করে নেবেন। ১০ ডিসেম্বর সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হবে।

গত বছর প্রাণঘাতী ক্যান্সারের চিকিৎসায় বৈপ্লবিক এক থেরাপি আবিষ্কারের ফলে চিকিৎসাবিজ্ঞানে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পান মার্কিন ও জাপানি বংশোদ্ভূত দুই বিজ্ঞানী জেমস অ্যালিসন ও তাসুকু হনজু। ১৯০১ সালের পর থেকে এখন পর্যন্ত চিকিৎসাশাস্ত্রে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়েছে ১০৯ বার। এর মধ্যে ১২ বার চিকিৎসায় নোবেল পেয়েছেন নারীরা। এছাড়া মাত্র একজন করে বিজয়ী এই পুরস্কার জিতেছেন ৩৯ বার।

চলতি বছরে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ২২৩ জন ব্যক্তি ও ৭৮টি প্রতিষ্ঠান নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন পেয়েছে। নোবেল কমিটিগুলোর ঘোষণা অনুযায়ী আজ পদার্থ, বুধবার রসায়ন, ১০ অক্টোবর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে।

এক জুরির স্বামীর বিরুদ্ধে ওঠা যৌন নিপীড়নের অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিতর্কের মধ্যে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি গতবছর সাহিত্যের নোবেল পুরস্কার স্থগিত করে। এবার তাই একসঙ্গে ২০১৮ ও ২০১৯ সালের নোবেলবিজয়ীর নাম জানানো হবে। আগামী ১১ অক্টোবর শান্তিতে এবং ১৪ অক্টোবর অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

পাঠক

Flag Counter

UserOnline

Developed By : ICT SYLHET

Developer : Ashraful Islam

Developer Email : programmerashraful@gmail.com

Developer Phone : +8801737963893

Developer Skype : ashraful.islam625

error: Content is protected !!