প্রবাসী কল্যাণ বোর্ডের নীতিগত সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে কিছু কথা

প্রকাশিত: 12:01 AM, March 26, 2017 | আপডেট: 12:06:AM, March 26, 2017
প্রথমে প্রত্রিকার সংবাদ টি হুবহু  তুলে ধরলাম পাঠকের জন্য,মূল বিশ্লষন ও মতামতের যাওয়ার আগে। ঢাকা টাইমস এর সংবাদ অনুযায়ী গত ২০/৩/২০১৭ সোমবার‘প্রবাসী কল্যাণ বোর্ড আইন-২০১৭’নামে প্রস্তাবিত আইনের খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ আইনের খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়।
মন্ত্রীসভার বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, আইনের খসড়ায় প্রবাসী কল্যাণ বোর্ডে ১৬ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালনা পরিষদ গঠনের কথা বলা হয়েছে।  প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক একটি কনভেনশন আছে। সেটি হচ্ছে- ‘ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন অন দি প্রটেকশন অব দি রাইটস অব অল মাইগ্রেন্টস অর্কারস অ্যান্ড দি মেমবার্স অব দেয়ার ফ্যামিলিজ ইন ১৯৯০’। এটি জাতিসংঘের একটি কনভেনশন। আমরা যেহেতু এটার স্বাক্ষরকারী, সে হিসেবে কনভেনশনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমাদের একটি আইন করার বাধ্যবাধকতা ছিল। সে কারণেই এই নতুন আইনটি প্রস্তাব করা হয়েছে।
সচিব বলেন, এতদিন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বিধিমালা-২০০২ দিয়ে  এটি পরিচালিত হত। এটাকে একটু গুছিয়ে আইন আকারে নিয়ে আসা হয়েছে। অভিবাসীর সংজ্ঞাটি আমরা বৈদেশিক কর্মসংস্থান আইন-২০১৩ এর থেকে নিয়েছি। ওখানে এর সংজ্ঞা থাকায় আমরা এটিকে নতুন ভাবে সংজ্ঞায়িত করিনি। এখানে একটি বোর্ডের প্রস্তাব করা হয়েছে প্রবাসীকল্যাণ বোর্ড।
শফিউল আলম বলেন, প্রবাসীগামী শ্রমিকদের জন্য ট্রেনিং, প্রকল্প গ্রহণ তাদের কল্যাণে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ, প্রবাসে কেউ মারা গেলে তাকে ফিরিয়ে আনা, তাদের আর্থিক সহায়তা দেয়া। বিদেশে কর্মরত কোনো নারী কর্মী অপরাধে জড়ালে, আহত হলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে তাকে সেখান থেকে উদ্ধার ও আইনি সহায়তা দেয়াসহ ২১ ধরনের কাজ করবে বোর্ড।
তিনি বলেন, বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদ হবে ১৬জনের। এতে প্রবাসী কল্যাণ ও  বৈদেশিক কর্মসংস্থান সচিব চেয়ারম্যান এবং প্রবাসী কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক (ন্যূনতম যুগ্ম সচিব মর্যাদা) সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
এ ছাড়া সরকার মনোনীত বিদেশ ফেরত দুজন (একজন নারী), জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) মহাপরিচালক (ডিজি), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব রিক্রুটিং এজেন্সিস (বায়রা) সভাপতি, বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন পরিচালক, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মর্যাদার একজন করে কর্মকর্তা পরিচালনা বোর্ডের সদস্য থাকবেন।
উপরোক্ত লেখাটা মন্ত্রীপরিষদ সচিব জনাব,মোহাম্মদ সফিউল আলম সাহেবের বরাত দিয়ে প্রত্রিকা থেকে নেওয়া,এই তথ্যের ভিত্তিতে আলোচনা,বিশ্লেষণ ও মতামত প্রদান করব-
 প্রথমত, সচিব মহেদয় বলেছেন,প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক একটি কনভেনশন আছে। সেটি হচ্ছে- ‘ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন অন দি প্রটেকশন অব দি রাইটস অব অল মাইগ্রেন্টস অর্কারস অ্যান্ড দি মেমবার্স অব দেয়ার ফ্যামিলিজ ইন ১৯৯০’। এটি জাতিসংঘের একটি কনভেনশন। আমরা যেহেতু এটার স্বাক্ষরকারী, সে হিসেবে কনভেনশনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমাদের একটি আইন করার বাধ্যবাধকতা ছিল। সে কারণেই এই নতুন আইনটি প্রস্তাব করা হয়েছে।
এই বক্তব্যের আমি বিনয়ের সাথে দ্বি- মত পোষন করি,হতে পারে এটা জাতিসংঘের কনভেনশনে বাধ্যবাধকতা,কিন্তু আমরা প্রবাসীরা বিশ্বাস করতে ছাই,প্রবাসীদের রক্তেভেজা গামের অর্থে বাংলাদেশের উন্নয়ন হচ্ছে,রাষ্ট্র ও সরকারে দায়িত্ব বোধ থেকেই প্রবাসীদের ন্যায্য অধিকার সু- নিশ্চিত করার লক্ষে প্রবাসী কল্যান বোর্ড গঠিত হচ্ছে,বাধ্যবাধ্যকতা শব্দের কারনে প্রবাসীদের মনে প্রশ্ন জাগার সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে যে,সরকার মনে হয় আন্তরিকতা ও দায়িত্ববোধ থেকে নয় নিরুপায় হয়ে বাধ্যবাধকতার কারনে আইনটা করছেন।
দ্বিতীয়ত, অনুমোদিত খড়সায় ১৬ সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিচালনা পরিষদ গঠনের কথা বলা হয়েছে,এটাকেই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা মনে করি এবং প্রয়োজনীয় সংসোধন,সংযোন- বিয়োজন,ও পরিবর্ধনের দাবী রাখি, জনাব সচিব মহোদয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, এতে প্রবাসী কল্যাণ ও  বৈদেশিক কর্মসংস্থান সচিব চেয়ারম্যান এবং প্রবাসী কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক (ন্যূনতম যুগ্ম সচিব মর্যাদা) সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
এ ছাড়া সরকার মনোনীত বিদেশ ফেরত দুজন (একজন নারী), জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) মহাপরিচালক (ডিজি), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব রিক্রুটিং এজেন্সিস (বায়রা) সভাপতি, বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন পরিচালক, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মর্যাদার একজন করে কর্মকর্তা পরিচালনা বোর্ডের সদস্য থাকবে,    সরকার ও বোর্ড প্রতিষ্ঠার সাথে যুক্ত নীতিনির্ধারকদের প্রথমেই ধন্যবাদ দিচ্ছি যে বোর্ড পরিছালনা পরিষদে প্রবাসীদের প্রতিনিধিত্ব রাখার বিধান নিশ্চিত করার জন্যে,বিশ্ব- ব্যাপী প্রবাসীদের অধিকার আধায়ের সংগঠন ” কানেক্ট বাংলাদেশ” ( Connect Bangladesh) নামক প্রবাসী বাংলাদেশীদের একটি আন্তজাতিক সংগঠন, প্রবাসীদের কল্যানে সর্বোচ  নীতিনির্ধারণে প্রবাসীদের প্রতিনিধিত্ব দাবী করে আসতেছে, আমি ও এই সংগঠনের সাথে যুক্ত একজন সংগঠক,ব্যক্তিগত ভাবে আমি নিজেও বহুবার এবং ধারাবাহিক ভাবে প্রতিনিধিত্বের যৌক্তিকতা ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে লিখেছি এবং সব সময় সোচ্ছার ছিলাম, এমতাবস্থায় প্রবাসী কল্যাণ বোর্ড আইনে মন্ত্রীসভায় নীতিগত অনুমোদনের খড়সায় প্রবাসীদের  প্রতিনিধিত্বের বিধান রাখাকে “কানেক্ট বাংলাদেশ’র প্রাথমিক সফলতা মনে করি,সে জন্য সরকার কে আমার ব্যক্তিগত, কানেক্ট বাংলাদেশ,এবং প্রবাসীদের পক্ষ থেকে,  ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই.
 এখন আলোচনায় করা যাক,দুই জন প্রবাসী বাছাই বা নিয়োগ প্রক্রিয়া কি, এক কোঠি প্রবাসীর সমস্যা চিন্হিত করা দুই জনের দ্বারা সম্ভব কিনা, এ ছাড়া প্রবাসী অধ্যুষিত দেশ বা অন্চল গুলোর সমস্যা আলাদা, সচিব বলেছেন সরকার মনোনীত বিদেশ ফেরত,প্রশ্ন হল  বিদেশ ফেরত কেন, যারা প্রবাস থেকে স্হায়ীভাবে দেশে বসবাস করেন তারা প্রবাসীদের কে নিয়ে কাজ করার মানসিকতা থাকবে কি না,  এবং  সংখ্যা দুইজন  কেন, তাও,একজন পরুষ একজন মহিলা,এক কোঠির ও অধিক   প্রবাসীর মধ্যে  মাত্র কয়েক লক্ষ   মহিলা প্রবাসে কর্মরত আছে এ ক্ষেত্রে এক জন মহিলা রাখার প্রয়োজনীয়তা কত টুকু, সরকার মনোনীত করবে, পদ্বতি টা অগণতান্ত্রিক,সত্যিকার প্রবাসীদের প্রতিনিধি নিয়োগ না হওয়ার সুযোগ থাকবে,নিয়োগ প্রক্রিয়া ব্যক্তি বিশেষের অনুগত বা প্রচন্দের ব্যক্তি নিয়োগের সুযোগ থাকবে,তেমনি ভাবে সুযোগ সন্দ্বানী,দল-বাজ,হুন্ডি কারবারী,ভিসা সিন্ডিকেটের প্রধান দালালেরা, সরকারী দলে বা নেতাদের মধ্যে অনুপ্রবেশ করে প্রতিনিধি মনোনীত হওয়ার সুযোগ নিতে পারে,এছাড়া বোর্ড চেয়ারম্যান প্রবাসীদের মধ্য থেকে নয় কেন? বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রবাসীদের নির্বাচিত  প্রতিনিধি থেকে করা, প্রবাসী প্রতিনিধি  সংখ্যা বাড়ানো এবং স্বাস্হ,যোগাযোগ,ও রেলপথ মন্ত্রনালয়ের প্রতিনিধি  বোর্ডের সদস্য হিসেবে অনুভুক্ত করা প্রবাসীদের  প্রতিনিধি  হতে হবে প্রবাসীদের দ্বারা নির্বাচিত, কি ভাবে নির্বাচন হবে,অর্থাৎ সব কিছু নিয়ে সামগ্রিক ভাবে আলোচনা হওয়া দরকার,প্রয়োজনে সাধারণ আলোচনা, সভা,সেমিনার বা গোল- টেবিল’বৈঠকের মাধ্যমে প্রবাসী সংগঠক,প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রনালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্হায়ী কমিটির সংদস্যগণ,জাতীয় সংসদের আইন প্রনেতাগণ ও প্রবাসীদের নিয়ে কাজ করতেছে এমন বেসরকারী সংস্থার প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে মতামত ও সুপারিশ নেওয়া দরকার,এবং তা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রনালয় ও সরকারকেই উদ্যোগ নিতে হবে এবং তা করতে হবে পার্লামেন্টে উঠার আগেই।
 আমার এই লেখা বাংলাদেশের প্রথম সারির কোন প্রত্রিকায় চাপাবে কিনা জানি না, লন্ডন টাইমস নিউজ এ প্রকাশিত হবে আমাকে নিশ্চিত করেছেন,লন্ডন টাইমস নিউজ এর সম্পাদক প্রখ্যাত সাংবাদিক জনাব সৈয়দ শাহ সেলিম আহম্মদ,কানেক্ট বাংলাদেশ” এ ও পোস্ট করব, সকল প্রবাসী ও প্রবাসীদের প্রতি সহানুভূতিশীল ব্যক্তিবর্ঘগনের নিকট অনুরোধ  আপনারা স্ব- উদ্যোগে অংশ গ্রহন মুলক প্রবাসী কল্যাণ বোর্ড গ্রঠনের দাবীতে জনমত গড়ে তলুন ও সোচ্ছার হোন এবং এই লেখাটা বেশী বেশী করে শেয়ার করার জন্য,    উরোক্ত আলোচনা, পর্যালোচনার আলোকে,প্রবাসী কল্যাণ বোর্ড গঠনের উদ্দেশ্যকে কার্যকর করতেহলে,  নিম্নলিখিত সুপারিশ গুলোকে অন্তভুক্ত করে,একটি গনতান্ত্রিক,অংশগ্রহণ মূলক শক্তিশালী প্রবাসী কল্যাণ বোর্ডের  আইন প্রনয়নের দাবী যানাচ্ছি।
  ১. প্রবাসী কল্যাণ বোর্ডের চেয়ারম্যান হবে প্রবাসীদের দ্বারা নির্বাচিত প্রবাসী।
   ২. প্রবাসী কল্যাণ বোর্ডে প্রবাসীদের দ্বারা নির্বাচিত প্রবাসী প্রতিনিধির সংখ্যা হবে সাত জন।
    ৩.অনুমোদিত খড়সা যে সব মন্ত্রনালয় গুলোর প্রতিনিধিদের সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে সে গুলোকে বহাল রেখে,স্বাস্হ,সড়ক যোগাযোগ ও রেলপথ মন্ত্রনালয়ের প্রতিনিধি অন্তভুক্ত করতে হবে।
 ৪.বিশ্বের প্রবাসী অধ্যুষিত অন্চল গুলো,যেমন,আমেরিকা, ইউরোপ, আফ্রিকা মহাদেশ  থেকে একজন করে, মালয়সীয়া, সিংগাপুর, থাইলেন্ড এ অন্চল থেকে একজন মধ্যপাচ্য থেকে তিনজন,দুইজন পরুষ একজন মহিলা, যেহেতু মধ্যপাচ্যে মোট প্রবাসীর ৫০ ভাগের অধিক  কর্মরত আছে।
৫.প্রতিনিধি নির্বাচন পদ্বতিঃ আপাাতত ভাবে সরকার প্রত্যেটা প্রবাসী অধ্যুষিত দেশের দূতাবাস গুলোকে চিঠি লিখে নির্দেশনা দিবে যে দূতাবাসের পৃষ্ঠপোষকতায় ও ত্বর্তাবধানে স্বস- স্বস দেশের সামাজিক,সাংস্কৃতিক, এবং ভিবিন্ন পেশার,ক্রিয়াশীল সংগঠনের সংগঠকদের সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতে বাংলাদেশ কমিউনিটি  গঠন করা,কমিউনিটির কার্যকরী কমিটির সদস্য সংখ্যা হবে প্রবাসীদের সংখ্যার আনুপাতিক হারে, অর্থাৎ যে দেশে যত বেশী প্রবাসী সে দেশে বাংলাদেশ কমিউনিটির কমিটির আকার তত বড় হবে,এভাবে প্রত্যকটা দেশে বাংলাদেশ কমিউনিটির কার্যকরী কমিটি গঠন করতে হবে,প্রত্যেকটা বাংলাদেশ কমিউনিটির কার্যকরী কমিটির সদস্যরা হবে প্রবাসী কল্যাণ বোর্ডের প্রবাসী প্রতিনিধি নির্বাচনের নির্বাচকমণ্ডলী বা ভোটার,এভাবে অন্চল ভাগে ভাগ করে,ভোটারেরা স্বস-স্বস আনচলিক প্রতিনিধি নির্বাচিত করবেন,আান্চলিক প্রতিনিধিরা সাতজন থেকে সবচেয়ে যোগ্য একজন কে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করবেন।
 ৬. বোর্ডের চেয়ারম্যান ও প্রবাসী প্রতিনিধিরা যেহেতু সার্বক্ষনিক প্রবাসীদের কল্যাণে নিয়োজিত থাকবে,ব্যক্তিগত কাজ বা অন্য কোন পেশায় নিয়োজিত  থাকা সময় ও সুযোগ  থাকবেনা,সে হেতু প্রবাসী সদস্যদের ও চেয়ারম্যানের বেতন ভাতা, যাতায়াত ও অন্য-অন্য সুযোগ সুবিধা গুলো রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে প্রদানের বিধান নিশ্চিত করতে হবে।
 উপরোক্ত সুপারিশ মোতাবেক প্রবাসী কল্যাণ বোর্ডের কাঠামো গঠন করা হলে, প্রবাসীদের সত্যিকার কল্যাণে একটি কার্যকর বোর্ড যেমন হবে,তেমনি ভাবে প্রবাসের মাটিতে অসুস্হ দলীয় ও আন্চলিক রাজনীতির অ-সুভ,  অসুস্হ প্রতিযোগীতার পরির্বতে সুস্হ জনকল্যাণ মুখী রাজনীতি ও নের্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা হবে,
এবং গণতন্ত্র কে সুসংহত ও প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দেওয়ার সুভ- সুচনা হবে।
 অথরঃ মোহাম্মদ  আলী জিন্নাহ্-কুয়েত প্রবাসী ও সংগঠক, কানেক্ট বাংলাদেশ।
 তারিখঃ ২৬/৩/২০১৭ ইং
প্রিন্ট সংস্করন